লাগাম টানায় শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
jugantor
লাগাম টানায় শেয়ারবাজারে বড় উত্থান

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ মার্চ ২০২২, ১৮:০৪:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দরপতনের লাগাম টানায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেয়ারবাজার। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনকৃত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। আর দিনশেষে মূল্যসূচক ১৫৫ পয়েন্ট বেড়েছে। এর ফলে একদিনে ডিএসইর বাজারমূলধন বাড়ল ১১ হাজার কোটি টাকা। লেনদেনও আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে।

জানা গেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও শেয়ারবাজারে টানা পতন শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, পুরো বাজারে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ও দরপতনের লাগাম টানতে মঙ্গলবার বড় দুটি সিদ্ধান্ত নেয় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এগুলো হলো- সার্কিট ব্রেকারের (একদিনে শেয়ার দাম বৃদ্ধি বা কমার সর্বোচ্চ সীমা) সীমা কমিয়ে আনা এবং বাজার স্থিতিশীলতায় গঠিত নতুন তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ। এর ফলে মঙ্গলবারই পতন বন্ধ হয়। বুধবার পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়ায় বাজার।

একক দিন হিসেবে ডিএসইতে বুধবার ৩৭৮টি কোম্পানির ২০ কোটি ৫২ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৭৭৩ কোটি ১ লাখ টাকা। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬৫টি কোম্পানির শেয়ারের, কমেছে ৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

ডিএসইর ব্রড সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৬৩০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৪১৫ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৫ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

লাগাম টানায় শেয়ারবাজারে বড় উত্থান

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ মার্চ ২০২২, ০৬:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দরপতনের লাগাম টানায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেয়ারবাজার। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনকৃত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। আর দিনশেষে মূল্যসূচক ১৫৫ পয়েন্ট বেড়েছে। এর ফলে একদিনে ডিএসইর বাজারমূলধন বাড়ল ১১ হাজার কোটি টাকা। লেনদেনও আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। 

জানা গেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও শেয়ারবাজারে টানা পতন শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, পুরো বাজারে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ও দরপতনের লাগাম টানতে মঙ্গলবার বড় দুটি সিদ্ধান্ত নেয় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এগুলো হলো- সার্কিট ব্রেকারের (একদিনে শেয়ার দাম বৃদ্ধি বা কমার সর্বোচ্চ সীমা) সীমা কমিয়ে আনা এবং বাজার স্থিতিশীলতায় গঠিত নতুন তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ। এর ফলে মঙ্গলবারই পতন বন্ধ হয়। বুধবার পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। 

একক দিন হিসেবে ডিএসইতে বুধবার ৩৭৮টি কোম্পানির ২০ কোটি ৫২ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৭৭৩ কোটি ১ লাখ টাকা। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬৫টি কোম্পানির শেয়ারের, কমেছে ৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। 

ডিএসইর ব্রড সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৬৩০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৪১৫ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৫ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন