পটুয়াখালী-৪: নৌকার পরেই হাতপাখা, মাঠে নেই ধানের শীষ

  রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

আ'লীগ প্রার্থী মহিব্বুর রহমান মহিব
আ'লীগ প্রার্থী মহিব্বুর রহমান মহিব (বামে) ও বিএনপি প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ আসনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতার আলোচনায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী।

তাদের মধ্যে কে জিতবে এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকেই।

তবে শুরু থেকেই উন্নয়নের ধারাবাহিগতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন।

কিন্তু প্রচারণার শেষ মুহূর্তেও বিএনপি প্রার্থী কিংবা নেতাকর্মীদের মাঠে দেখা যাচ্ছেনা।

ফলে এই সুযোগে ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী চমক দেখাতে পারেন বলে ধারণা করছেন ভোটাররা।

এই আসনে বিভিন্ন দলের ৬ জন প্রার্থী রয়েছেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিব্বুর রহমান মহিবের (নৌকা) পরই এগিয়ে আছেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি হাবিবুর রহমান (হাতপাখা)।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাঙ্গাবালী উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র বাহেরচর বন্দরে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর অসংখ্য পোস্টার-ব্যানার রয়েছে।

এরপরেই ইসলামি আন্দোলনের হাতপাখার পোস্টার। তবে বিএনপির ধানের শীষ কিংবা অন্য দলের প্রার্থীদের কোন পোস্টার-ব্যানার চোখে পড়েনি।

এমনকি মাইকিংও করা হচ্ছে নৌকা ও হাতপাখার। শুধু বাহেরচর বন্দরেই এ অবস্থা নয়, উপজেলার সর্বত্র একই চিত্র।

ভোটারদের মতে, সভা-সমাবেশ, উঠোন বৈঠক, গণসংযোগ ও মাইকিংয়ের পাশাপাশি নানা নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে আওয়ামী লীগ। যেখানে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দেখা নেই। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগের পরেই দ্বিতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ।

তবে মাঠ প্রচারণা যাই চলুক নৌকার মহিব্বুর রহমান ও ধানের শীষের মোশাররফ হোসেনের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে ধারণা করছেন ভোটাররা।

শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নাকি বিএনপি, কোন দল জিতবে? সেই জল্পনায় ব্যস্ত স্থানীয়রা।

নির্বাচনী প্রচারণায় কেন নেই বিএনপি সে প্রসঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, হামলা-মামলা ও গ্রেফতার আতঙ্কে বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থাকতে পারছেন না।

তাই দলীয় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের পক্ষে তারা কোন প্রচারণা চালাতে পারেননি।

বিএনপির এমন বক্তব্য উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দাবি, পরাজয় নিশ্চিত ভেবে মাঠে নেই বিএনপি। আওয়ামী লীগের উন্নয়নকে তারা ভয় পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের জয় সুশ্চিত।

উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর একই স্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সভা ডাকাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হাওয়া সেই পথসভা পণ্ড হয়ে যায়।

এরপর ওইদিন রাতে বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাঙ্গাবালী থানায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৪৭ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৬০-৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এ মামলায় গ্রেফতার অব্যাহত থাকায় বিএনপির নেতাকর্মীরা গা ঢাকা দেন।

প্রসঙ্গত, রাঙ্গাবালী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন এবং কলাপাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৬ জন।

এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৮৯ জন এবং মহিলা ১ লাখ ২৪ হাজার ২৫৭ জন। আর ভোট কেন্দ্র ১০৯টি।

ঘটনাপ্রবাহ : পটুয়াখালী-৪: জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×