সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পটুয়াখালীতে ১৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
Advertisement
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৩:০৩ পিএম
ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী ভোট না পাওয়ার কারণে পটুয়াখালীর চারটি আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের ১৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
এদের মধ্য পটুয়াখালী-১ আসনে আওয়ামী লীগ ব্যতীত ৬ প্রার্থীর। পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে তিন, পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে তিন এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে পাঁচ প্রার্থী।
নির্বাচনী নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়- ভোটার কর্তৃক প্রদত্ত ভোটের ৮-এর ১ অংশ ভোট না পেয়ে থাকলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।
সে অনুযায়ী পটুয়াখালী-১ আসনে ভোটার কর্তৃক পদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ৫৭৬। কিন্তু এ আসনে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে হাতপাখার প্রতীক নিয়ে আলতাফুর রহমান পেয়েছে ১৪ হাজার ৮৭৫ ভোট।
বাকিরা হলেন- গোলাপফুলের প্রার্থী আবদুর রশিদ, আম মার্কার প্রার্থী মো. সুমন সন্যামত এবং কাস্তের প্রার্থী আবদুল মোতালেব।
পটুয়াখালী-২ আসনে প্রার্থীরা হলেন- হাতপাখার মো. নজরুল ইসলাম, ধানের শীষের সালমা আলম এবং কাস্তে শাহাবুদ্দিন। পটুয়াখালী-৩ আসনে হাতপাখার প্রার্থী কামাল খান, ধানের শীষের গোলাম মাওলা রনি, লাঙ্গলের প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম।
পটুয়াখালী-৪ আসনের হাতপাখার প্রার্থী হাবিবুর রহমান, মিনার প্রার্থী আবদুর রহমান শাহ আলম, ধানের শীষ প্রার্থী এবিএম মোশারেফ, লাঙ্গলের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন এবং মই প্রতীকের জহিরুল আলম। পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. মোতিউল ইসলাম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
