ঠাকুরগাঁও-৩: ২৭ বছর পর বিজয়ী হলেন ধানের শীষের জাহিদুর
jugantor
ঠাকুরগাঁও-৩: ২৭ বছর পর বিজয়ী হলেন ধানের শীষের জাহিদুর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৩২:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁও-৩: ২৭ বছর পর বিজয়ী হলেন ধানের শীষের জাহিদুর

ঠাকুরগাঁও-৩ (রানীশংকৈল) আসনে ১২১ কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষের প্রার্থী জাহিদুর রহমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর লড়ে বিজয়ের মুকুট ছিনিয়ে আনেন তিনি।

রংপুর বিভাগের মধ্যে তিনিই একমাত্র বিএনপির প্রার্থী, যিনি জয়ী হতে পেরেছেন। সাবেক সাংসদকে হারিয়ে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি নির্বাচন করছেন।

আসনটিতে ধানের শীষের প্রার্থী জাহিদুর রহমান ৮৭ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল হক মোটরগাড়ি প্রতীকে ৮৪ হাজার ১০৯ ভোট পেয়েছেন এবং আ.লীগের মনোনীত প্রার্থী ইসাসিন আলী ৩৭ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়েছেন।

পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম বলেন, এ আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল। আওয়ামী লীগের নেতা ইমদাদুল হককে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে না দিয়ে মহাজোট থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হলে কোনো শক্তিই নৌকাকে হারাতে পারত না। তা ছাড়া এ আসনের একটি বাড়িও খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে বাড়িতে বিএনপির জাহিদুর তিন-চারবার যাননি। এলাকার মানুষের দোরগড়ায় যাওয়ায় তার এ বিজয়।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটিতে তিন লাখ ১৭৪ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫২ হাজার ১৫৬ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৪৮ হাজার ১৮ জন।

১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের মকলেসুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে সাংসদ হন। ওইবার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান বিএনপি থেকে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে পঞ্চম হন।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমদাদুল হক ৫৫ হাজার ৯৫৩ ভোট পেয়ে সাংসদ হন। সেবার বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবদুল মালেক।

২০০১ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতীকে ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে নির্বাচন করে সাংসদ হন। এ সময় বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান ৮ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন জোটবদ্ধভাবে হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা ইমদাদুল হক আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েও দলীয় নির্দেশে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। সেবার মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করে বিজয়ী হন।

ঠাকুরগাঁও-৩: ২৭ বছর পর বিজয়ী হলেন ধানের শীষের জাহিদুর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঠাকুরগাঁও-৩: ২৭ বছর পর বিজয়ী হলেন ধানের শীষের জাহিদুর
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিজয়ী প্রার্থী ধানের শীষের জাহিদুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও-৩ (রানীশংকৈল) আসনে ১২১ কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষের প্রার্থী জাহিদুর রহমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর লড়ে বিজয়ের মুকুট ছিনিয়ে আনেন তিনি।

রংপুর বিভাগের মধ্যে তিনিই একমাত্র বিএনপির প্রার্থী, যিনি জয়ী হতে পেরেছেন। সাবেক সাংসদকে হারিয়ে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি নির্বাচন করছেন। 

আসনটিতে ধানের শীষের প্রার্থী জাহিদুর রহমান ৮৭ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল হক মোটরগাড়ি প্রতীকে ৮৪ হাজার ১০৯ ভোট পেয়েছেন এবং আ.লীগের মনোনীত প্রার্থী ইসাসিন আলী ৩৭ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়েছেন।

পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম বলেন, এ আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল। আওয়ামী লীগের নেতা ইমদাদুল হককে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে না দিয়ে মহাজোট থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হলে কোনো শক্তিই নৌকাকে হারাতে পারত না। তা ছাড়া এ আসনের একটি বাড়িও খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে বাড়িতে বিএনপির জাহিদুর তিন-চারবার যাননি। এলাকার মানুষের দোরগড়ায় যাওয়ায় তার এ বিজয়।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটিতে তিন লাখ ১৭৪ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫২ হাজার ১৫৬ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৪৮ হাজার ১৮ জন।

১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের মকলেসুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে সাংসদ হন। ওইবার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান বিএনপি থেকে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে পঞ্চম হন। 

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমদাদুল হক ৫৫ হাজার ৯৫৩ ভোট পেয়ে সাংসদ হন। সেবার বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবদুল মালেক। 

২০০১ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতীকে ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে নির্বাচন করে সাংসদ হন। এ সময় বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান ৮ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন জোটবদ্ধভাবে হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা ইমদাদুল হক আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েও দলীয় নির্দেশে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। সেবার মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করে বিজয়ী হন।