Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

শ্রীলেখার মেসেজ পেয়ে যা বললেন নওশাবা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬ পিএম

শ্রীলেখার মেসেজ পেয়ে যা বললেন নওশাবা

Advertisement

বাংলাদেশে শোবিজ জগতের পরিচিত মুখ কাজী নওশাবা আহমেদ। শুধু মানুষ নয়, প্রাণ-প্রকৃতি—সব কিছুর জন্যই কাজ করেন তিনি। এবার তার সেই পরিশ্রম পৌঁছে গেছে ভারতের কলকাতায়। ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ সিনেমায় অভিনয় করে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি টালিগঞ্জে দুর্গাপূজার সময় মুক্তি পেয়েছে অনীক দত্ত পরিচালিত ছবি ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’। ছবিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অভিনয় করেছেন নওশাবা। তার বিপরীতে ছিলেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়।

ভিসা জটিলতায় কলকাতায় গিয়ে ছবির প্রচারণায় অংশ নিতে পারেননি তিনি। তবে সেখানকার দর্শক আর সিনেমাপ্রেমীদের ভালোবাসা ঠিকই পৌঁছে গেছে তার কাছে।

নওশাবা বলেন, ‘আমি কলকাতায় যাইনি, কিন্তু মনে হচ্ছে আমার আত্মা অলিগলিতে ঘুরছে!’

এই ছবিতে তিনি একজন বাংলাদেশির চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি নিজের শেকড় খুঁজতে গিয়ে জড়িয়ে পড়েন রহস্যময় এক ঘটনার সঙ্গে। ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন নওশাবা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চমক ছিল ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের পাঠানো একটি ভয়েস মেসেজ।

নওশাবা বলেন, ‘শ্রীলেখা আপা বলেছেন—অনেক দিন পর ন্যাকামোবর্জিত অভিনয় দেখলাম। এমন মন্তব্য আমার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এটা আমার কাছে কোনো পুরস্কারের চেয়ে কম নয়।’

নওশাবার ভাষ্যে, ‘আমি কোনো প্রত্যাশা নিয়ে অভিনয় করিনি। শুধু চেষ্টা করেছি মন দিয়ে কাজটা করতে। ভালো কাজই একদিন নিজের জায়গা তৈরি করে নেয়—এই বিশ্বাসেই এগিয়ে যাই।’

পরিচালক অনীক দত্ত হঠাৎ একদিন নওশাবাকে মেসেজ করেন। এরপর অডিশন দিয়ে ছবির জন্য চূড়ান্ত হন তিনি। গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ছবির শুটিং।

সিনেমার পাশাপাশি থিয়েটারেও সক্রিয় নওশাবা। সম্প্রতি তার দল মঞ্চে এনেছে নাটক ‘আগুনি’, যেখানে অংশ নিয়েছিলেন জুলাই যোদ্ধারাও। সামনে আরও কিছু থিয়েটার প্রকল্প রয়েছে তার হাতে। পাশাপাশি নির্মাণ নিয়ে করেছেন একটি কোর্সও।

নওশাবার মতো একঝাঁক অভিজ্ঞ অভিনেত্রী যখন নিজের কাজ দিয়ে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে অন্য দেশের দর্শককেও মুগ্ধ করেন—তখন সেটা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দুই বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির এক সুন্দর মেলবন্ধন।

Advertisement

দুর্গাপূজা

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম