Logo
Logo
×

Advertisement

বিনোদন

‘ঢাকেশ্বরীতে অনেকের চোখেমুখে সংশয় ছিল, আমিই কি পূজা চেরী’

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:১৭ পিএম

‘ঢাকেশ্বরীতে অনেকের চোখেমুখে সংশয় ছিল, আমিই কি পূজা চেরী’

Advertisement

এবারের দুর্গোৎসব ঢাকায় উদযাপন করেছেন হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরী। ঘুরে বেড়িয়েছেন জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীসহ বিভিন্ন মন্ডপে। 

এরপর গণমাধ্যমে পূজা চেরী বলেন, এবারের উৎসব ঢাকায় কাটলো। আমার পূজার আনন্দ অবশ্য শুরু হয়েছিল অষ্টমী থেকেই। ওই দিন ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়েছিলাম। লাল-সাদা শাড়িতে, মণ্ডপের পরিবেশে সবার সঙ্গে আনন্দময় সময় কেটেছে। আমার আনন্দের সময়গুলো সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করি। মণ্ডপের ছবি সামাজিক মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেছি।

ভক্তদের নানা রকম প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন জানিয়ে পূজা বলেন, মণ্ডপে গিয়ে একটা অন্য রকম অনুভূতি হয়েছিল। কেউ সেলফি তুলতে এগিয়ে এসেছেন, আবার কেউ দূর থেকে শুধু তাকিয়ে ছিলেন। অনেকের চোখেমুখে একটা সংশয় ছিল, আমি আসলেই কি পূজা চেরী!

ঢাকেশ্বরীর এসব ঘটনা দারুণ উপভোগ করেছেন তরুণ অভিনেত্রী। বলেন, পুরো বিষয়টি আমার খুব ভালো লেগেছে। আজ বিজয়া দশমীতে রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। পূজার সময় মাকে খুব মিস করছি। তিনি বেঁচে নেই। মা থাকলে পূজায় অন্য রকম আনন্দ হতো।

খুলনার মেয়ে পূজা চেরী। তিনি বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি খুলনায় হলেও বেড়ে উঠেছি হাজারীবাগে। ধুলোমাখা শৈশবের দিনগুলো ওই মাটিতেই কেটেছে। নানা রকম পোশাক পরে বের হতাম। নানা রকম উপহার পেতাম। উপহার পেয়ে মনটা আনন্দে ভরে যেত। ছোটবেলা তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজারসহ পুরান ঢাকার অনেক মন্দিরে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরতাম। আত্মীয়স্বজন বাসায় আসতেন। পথে পথে হরেক রকম মুখরোচক খাবার খেতাম। বাসায় এসে মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেতাম। সেই সময়গুলো খুব মিস করি।

Advertisement

অভিনেত্রী

Advertisement

আরও পড়ুন

প্রথম সম্মানী কত পেয়েছিলেন জানালেন মিম

প্রথম সম্মানী কত পেয়েছিলেন জানালেন মিম

পপিকে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন সেই গীতিকারের

পপিকে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন সেই গীতিকারের

দিয়া মির্জাকে নিয়ে বিতর্কের মাঝে সরব আলিয়ার মা

দিয়া মির্জাকে নিয়ে বিতর্কের মাঝে সরব আলিয়ার মা

আদনানের প্রথম সিনেমা ‘অপলক’, অভিনয়ে নিশো-মেহজাবীন

আদনানের প্রথম সিনেমা ‘অপলক’, অভিনয়ে নিশো-মেহজাবীন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম