Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

প্রত্যাখ্যানের পরও শেষমেশ বিয়ে, রশিদের চাঞ্চল্যকর গল্প

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৪৮ পিএম

প্রত্যাখ্যানের পরও শেষমেশ বিয়ে, রশিদের চাঞ্চল্যকর গল্প

Advertisement

অভিনেতা গোহর রশীদ তার স্ত্রী কুবরা খানের সঙ্গে প্রেমের গল্প প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, এই সম্পর্কের প্রথম প্রেম তার থেকেই শুরু হয়েছিল এবং প্রথমবার কুবরা তাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে গোহর রশীদ খোলাখুলি বলেছেন, কুবরা খানের সঙ্গে বিয়ে করার পর তার জীবন অনেক পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিয়ে করার পর আমার ব্যক্তিত্ব ২০০ শতাংশ উন্নত হয়েছে।’ এই পরিবর্তনের জন্য তিনি কুবরাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবং নিশ্চিত বলেছেন যে, কুবরার জীবনও এর ফলে আরও সুন্দর হয়েছে। 

বিবাহের জন্য প্রস্তুতির গুরুত্ব                                                         

অভিনেতা বলেন, বাবা-মা তাদের সন্তানদের — বিশেষ করে ছেলেদের — বিবাহ ও তার দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষিত করা উচিত। তিনি বলেন, ‘যেমন বাবা-মা সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে গাইড করেন, তেমনি বিবাহিত জীবনের জন্যও প্রস্তুতি দিতে হবে। বিবাহ কখনও লজ্জার বিষয় নয়।’

তিনি আরও পরামর্শ দিয়েছেন, মানুষ যেন ব্যক্তিগত ও পেশাদার লক্ষ্য অর্জনের পরেই বিবাহের সিদ্ধান্ত নেয়। তাড়াহুড়ো করে বিয়ে করলে হতাশা সৃষ্টি হতে পারে এবং সঙ্গীর উপর অযথা অভিযোগও উঠতে পারে।

৪০ বছর বয়সে বিয়ে করার কারণ

গোহর রশীদ জানান, তিনি ৪০ বছর বয়সে বিয়ে করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিবাহের সময় বয়স নয়, জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা নির্ধারণ করে। কেউ ৩০ বছরেই পরিপক্ক হতে পারে, আবার কেউ ৪০ বছর বয়সে প্রস্তুত হয়।’ তিনি যোগ করেছেন, ‘বিবাহ যে কোনো বয়সে হতে পারে।’

কুবরা খানের প্রথম প্রত্যাখ্যান ও পরবর্তী গ্রহণ

গোহর রশীদ হৃদয়স্পর্শীভাবে জানিয়েছেন, প্রথম প্রস্তাবনা তাঁর থেকেই হয়েছিল, কিন্তু কুবরা প্রথমে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তবে হাল ছাড়েননি গোহর। ‘দ্বিতীয়বার প্রস্তাব দেয়ার সময় তিনি রাজি হয়েছেন,’ তিনি হাসতে হাসতে বলেন। রশীদ বলেন, কুবরার প্রথম প্রত্যাখ্যান যথাযথ ছিল, যদিও তা কিছুটা কষ্ট দিয়েছিল, কারণ ‘তিনি সুন্দর, আর তার কাছ থেকে প্রত্যাখ্যান পাওয়া কষ্টের।’

প্রেমের এই সুন্দর জুটি ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে সৌদি আরবে বিয়ে করেছেন। তাদের অন্তরঙ্গ অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ পরিবার ও বন্ধুদের উপস্থিতি ছিল।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম