Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

এবার অর্থ প্রতারণা মামলায় নাম জড়াল রাহুলপত্নী আথিয়ার

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম

এবার অর্থ প্রতারণা মামলায় নাম জড়াল রাহুলপত্নী আথিয়ার

বলিউড অভিনেত্রী আথিয়া শেঠি। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ক্রিকেটার কেএল রাহুলের স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী আথিয়া শেঠি কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় জড়িয়ে বিপাকে পড়েছেন।  যদিও পুরো ঘটনায় তিনি সরাসরি অভিযুক্ত নন, তবে তার নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।  এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ।

মুম্বাইয়ের আম্বোলি থানার পুলিশ জানিয়েছে, একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ঋষভ সুরেকা, সংস্থার কর্ণধার যশ নাগরকোটি ও অশায় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  মূল অভিযুক্ত ঋষভ সুরেকার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী আথিয়া শেঠির স্বাক্ষর নকল করে চুক্তিপত্র তৈরির অভিযোগ উঠেছে।  শুধু তাই নয়, অভিনেতা আরশাদ ওয়ারসির নামেও ভুয়া ই-মেইল আইডি তৈরির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সংস্থাটি মূলত বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে।  সংস্থার প্রধান কার্যালয় হরিয়ানায় হলেও মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতেও তাদের একটি শাখা রয়েছে, যা যশরাজ ফিল্মসের অফিসের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে। ওই সময় ঋষভ সুরেকা আথিয়া শেঠির সহকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন।  একটি সোনার বিপণির বিজ্ঞাপনচুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়, যার আর্থিক পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০ লাখ রুপি।  তবে সেই আলোচনা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।  অথচ ঋষভ ওই সোনার বিপণিকে আশ্বাস দেন— বিজ্ঞাপনে মুখ হিসেবে দেখা যাবে আথিয়াকে।

অভিযোগ রয়েছে—আথিয়ার স্বাক্ষর নকল করে নিজেই সোনার বিপণির সঙ্গে চুক্তিসম্পন্ন করেন ঋষভ সুরেকা।  শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী ও তার স্বামী ভারতীয় ক্রিকেটার কেএল রাহুলের নাম ব্যবহার করে ভুয়া খাওয়া-দাওয়ার বিলও তৈরি করেন ঋষভ।  আথিয়ার পরিচিতি কাজে লাগিয়ে আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা তোলার অভিযোগও রয়েছে তার।  বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঋষভ সুরেকাসহ সংস্থার আরও দুই সদস্যকে গ্রেফতার করে।

পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, এর আগে ২০২৩ সালে ওই সংস্থায় যোগ দেন ঋষভ সুরেকা।  চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরপরই তিনি মায়ের চিকিৎসার অজুহাতে ১৫ লাখ রুপি ঋণ নেন।  এরপর থেকেই সংস্থার মধ্যে একাধিকবার আর্থিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এ ছাড়া ২০২৪ সালে ঋষভ দাবি করেছিলেন, একটি বিজ্ঞাপনের জন্য অভিনেত্রী দিয়া মির্জাকে আনবেন, যার জন্য প্রয়োজন ৬২ লাখ রুপি।  সেই অর্থের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।  পুরো ঘটনার তদন্ত এখনো চলমান।  এ প্রতারণা চক্রে আরও কেউ যুক্ত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম