Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

ধর্মীয় অভিযোগ তুলে জোর বিতর্ক, নীরবতা ভাঙলেন এআর রহমান

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫২ পিএম

ধর্মীয় অভিযোগ তুলে জোর বিতর্ক, নীরবতা ভাঙলেন এআর রহমান

এআর রহমান/ফাইল ছবি

Advertisement

অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক, সুরকার ও সংগীতশিল্পী এআর রহমান ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের কাজ কমার পেছনে ধর্মীয় বিভাজন ও রাজনীতির প্রভাবকে দায়ী করে মন্তব্য করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত হন। বলিউডের একাধিক তারকা এর প্রতিবাদ ও সমালোচনা করেছেন। এমনকি রাজনৈতিক মহলেও তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি সেই ধর্মীয় মেরুকরণের বিতর্কে এতদিন নীরব ছিলেন এ অস্কারজয়ী সুরকার।

অবশেষে এবার সেই নীরবতা ভাঙলেন এআর রহমান। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্টের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এ সুরকার বলেন, কারও যন্ত্রণার কারণ হতে চাইনি। 

তিনি বলেন, ‘ভারত আমার অনুপ্রেরণা, আমার শিক্ষক এবং আমার বাড়ি। কখনো কখনো  উদ্দেশ্য নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, কিন্তু সংগীতের মাধ্যমে উন্নতিসাধন, সম্মানজ্ঞাপনই লক্ষ্য। আমি কখনো কাউকে ব্যথা দিতে চাইনি। আমি ভারতীয় হিসেবে গর্বিত। দেশ আমার সৃজনশীল স্বাধীনতার মূল্য দিয়েছে’ — জানান এআর রহমান।

ক্যারিয়ারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা উল্লেখ করে এ অস্কারজয়ী সুরকার বলেন, ‘আমি জালা প্রকল্পে কাজ করেছি। সেটি ওয়েভস সামিটে প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে উপস্থাপন করা হয়েছিল। আমি নাগা সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে একটি স্ট্রিং অর্কেস্ট্রা তৈরি করেছি। সানশাইন অর্কেস্ট্রাকে পরামর্শ দিয়েছি। ভারতের প্রথম বহু সংস্কৃতির ভার্চুয়াল ব্যান্ড, সিক্রেট মাউন্টেন প্রতিষ্ঠা করেছি। আমি রামায়ণের সংগীতেও হ্যান্স জিমারের সঙ্গে সহযোগিতা করেছি। এসব অভিজ্ঞতা আমার সংগীতের উদ্দেশ্যকে আরও শক্তিশালী করেছে।’

এর আগে সংগীত পরিচালক এআর রহমান দাবি করে বলেছিলেন, ‘গত আট বছরে ক্ষমতার পালাবদলের পাল্লায় পড়ে বলিউডের বহু কাজ তার হাতছাড়া হয়েছে। এর নেপথ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন নীতিও হতে পারে বলে মন্তব্য করেন।’ তিনি বলেছিলেন— ‘যদিও বিষয়টি মুখের ওপর আমাকে কেউ বলেননি, তবে কানাঘুষা এসব কথা আমার কাছে এসেছে।’

এ অস্কারজয়ী সুরকার বলেন, ‘আন্তরিকতা দিয়েও যদি কাজ না আসে, আমি আবার কারও কাছে গিয়ে নিজের তদবির করতে পারি না। কারও অফিসে গিয়ে বসে থাকতে পারব না।’ তাতেই মাথাচাড়া দিয়েছিল বিতর্ক।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম