Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

বিয়ের বয়স নিয়ে যে অভিজ্ঞতা জানালেন লারা দত্ত

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৮ এএম

বিয়ের বয়স নিয়ে যে অভিজ্ঞতা জানালেন লারা দত্ত

Advertisement

সমাজে বিয়ের বয়স নিয়ে নানা রকম ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন বিয়ের নির্দিষ্ট বয়স হয়েছে। তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এটা মোটেও ঠিক কাজ নয় বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী লারা দত্ত। বরং অনেক সময় নিয়ে ভেবেচিন্তে সাবেক টেনিস তারকা মহেশ ভূপতিকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান অভিনেত্রী।

তিনি বলেন, অল্প বয়সে আমি বিয়ে করিনি। আমি সময় নিয়েছিলাম। আগে আমি নিজের ক্যারিয়ার তৈরি করেছি। আর্থিকভাবে স্থিতিশীল হয়েছি। আমি কোনো পুরুষের ওপর নির্ভরশীল হতে চাইনি। কখনো হবও না।

১৯৭৮ সালের ১৬ এপ্রিল উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে জন্মগ্রহণ করা লারা দত্ত ২০০০ সালে মিস ইউনিভার্স খেতাব জয় করে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন। বলি অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের (১৯৯৪) পর তিনিই ছিলেন এ মুকুট জয়ী দ্বিতীয় ভারতীয়। 

এ সাবেক ব্রহ্মাণ্ডসুন্দরী বলেন, তার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত সমাজ বা পরিবারের চাপে নয়। কিংবা বিয়ের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে, তাই বিয়ে করে নিতে হবে— এ ভাবনা থেকেও নয়। নিজের ক্যারিয়ার গুছিয়ে নিয়ে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পরই তার মনে হয়েছিল— এবার বিয়ে করা উচিত। 

এ উপলব্ধির পরই তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন বলে জানান লারা দত্ত। এ অভিনেত্রী বলেন, জীবন এবং ক্যারিয়ারের একটা পর্যায় পৌঁছে আমার মনে হয়েছিল, আমি পরিবার-সংসার পাতার জন্য প্রস্তুত হয়েছি। এখন আমার বিয়ে করতে পারি। তারপরই আমি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই এবং বিয়ে করি।

তিনি বলেন, সমাজে অনেকেই বিয়ের বয়স নিয়ে নানা কথা বলে। অনেকেই মনে করে, বিয়ের নির্দিষ্ট বয়স হয়েছে। সেই বয়স পেরিয়ে গেলে দাম্পত্য জীবন ‘সুখের হয় না’। কিন্তু এটি ভ্রান্ত ধারণা। 

এ বিষয়ে মনোবিদরা বলছেন, প্রেমে অনিশ্চয়তা, জীবনসঙ্গী মিলছে না বলে বিয়ে হচ্ছে না— সব সময় এমনটি নাও হতে পারে। অনেকেই আগে নিজেকে ভালো করে চিনতে চান এবং বুঝতে চান। তারপরেই তারা অন্য একটি মানুষের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। তার জন্য যে মানসিক প্রস্তুতি লাগে, তার কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আত্ম সচেতনতা এবং জীবনের অভিজ্ঞতার ওপর। কারও ক্ষেত্রে সেটি ৩০ বছর হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে ৩৫-৪০ কিংবা তারও বেশি।

মনোবিদরা আরও বলছেন, তাড়াহুড়ো করে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থাকতে পারে। একাকিত্বের ভয়ে কিংবা সমাজ-পরিবারের চাপে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে সেখানে মানসিক প্রস্তুতি থাকে না। নিজের সীমা-পরিসীমা, চাহিদা না বুঝে সম্পর্কে জড়ালে পারস্পরিক বিকাশ নাও হতে পারে। তখন স্রেফ টিকে থাকার লড়াই। তাই নিজের সময় অনুযায়ী বিয়ে করা কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নয়। বরং, এটাই বিচক্ষণতা। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম