Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

দর্শকদের কাঁদানো সম্ভব, হাসানো জটিল এক দক্ষতা: অক্ষয়

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০:০২ পিএম

দর্শকদের কাঁদানো সম্ভব, হাসানো জটিল এক দক্ষতা: অক্ষয়

অক্ষয় কুমার। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

বলিউড সুপারস্টার অক্ষয় কুমার সম্প্রতি কমেডি ঘরানা নিয়ে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও আক্ষেপের কথা শেয়ার করেছেন। 

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভ’-এর দ্বিতীয় দিনে অংশ নিয়ে অভিনেতা জানান, তার দীর্ঘ ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে ১৫০টি সিনেমায় প্রায় ৭০ জন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করলেও, কমেডি শিখতে তিনি মূলত তিনজনের কাছে ঋণী।

অক্ষয় কুমারের মতে, তার কমেডি সেন্স তৈরি হয়েছে মূলত প্রিয়দর্শন, রাজকুমার সন্তোষী এবং প্রয়াত পরিচালক-লেখক নিরাজ ভোরার হাত ধরে। অক্ষয় বলেন, ‘আমি যদি কমেডির ‘ক’ অক্ষরটিও বুঝে থাকি, তবে তা এই তিনজনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।’

বিশেষ করে প্রিয়দর্শনের সঙ্গে তার কাজের রসায়ন এবং নিরাজ ভোরার লেখনী তাকে এই ঘরানায় দক্ষ করে তুলেছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘ বিরতির পর প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় ‘ভূত বাংলা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবারও এই জুটিকে পর্দায় দেখা যাবে। সিনেমাটি ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

অক্ষয় কুমারের মতে, কমেডি হলো অভিনয়ের সবচেয়ে কঠিন শাখা, অথচ ইন্ডাস্ট্রিতে এটি এখনও তার প্রাপ্য সম্মান পায়নি। তার ভাষ্যমতে, ‘গ্লিসারিন ব্যবহার করে বা বিশেষ পরিস্থিতির মাধ্যমে দর্শকদের কাঁদানো সম্ভব, কিন্তু কাউকে হাসানো সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং জটিল এক দক্ষতা।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বড় বড় পুরস্কার অনুষ্ঠানে কমেডি করা অভিনেতাদের সাধারণত ‘সেরা অভিনেতা’র মর্যাদা দেওয়া হয় না। কমেডিয়ানদের পারফরম্যান্সকে মূলধারার সিরিয়াস অভিনয়ের সমান গুরুত্ব দেওয়া হয় না।

সিনেমা জগতের ট্রেন্ড নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অক্ষয় জানান, দর্শকদের পছন্দ প্রতি তিন বছর পর পর পরিবর্তিত হয়। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন বলেন, বর্তমানে ‘স্ত্রী’র মতো হরর-কমেডি ঘরানার সিনেমাগুলো দর্শকরা দারুণভাবে গ্রহণ করছেন।

রণবীর সিং অভিনীত আদিত্য ধরের সিনেমা ‘ধুরন্ধর’-এর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, দর্শকরা আবারও ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ ঘরানার অ্যাকশন পছন্দ করতে শুরু করেছেন।

কয়েক বছর আগে ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা’ বা ‘প্যাডম্যান’-এর মতো সামাজিক সিনেমাগুলোর যে জোয়ার ছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাও এখন পরিবর্তিত হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম