Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

অক্ষয়ের সঙ্গে ‘সেলফি’ সিনেমার সেই দৃশ্য নিয়ে যা বললেন আদাহ শর্মা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৪ এএম

অক্ষয়ের সঙ্গে ‘সেলফি’ সিনেমার সেই দৃশ্য নিয়ে যা বললেন আদাহ শর্মা

Advertisement

বলিউডের খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও অভিনেতা ইমরান হাশমি অভিনীত ‘সেলফি’ সিনেমায় একটি বিশেষ কমেডি দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখা গেছে অভিনেত্রী আদাহ শর্মাকে। কিন্তু সেই দৃশ্যে ‘বায়ুত্যাগ’ করা নিয়ে নেটপাড়ায় নীতিপুলিশদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে। 

পর্দায় নায়িকারা সবসময় পরিপাটি থাকবে, তাদের কোনো শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া থাকতে পারে না— এ ধারণা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন আদাহ শর্মা।  মজার সেই দৃশ্যে ‘বায়ুত্যাগ’ করা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ট্রলিং শুরু হতেই আসরে নামলেন অভিনেত্রী। দিলেন মোক্ষম জবাব। আদাহ শর্মা বলেন, পুরুষরা হিরো বলে যা খুশি করতে পারেন, কিন্তু মেয়েরা পাদলে দোষ?

সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওতে আদাহ শর্মা খুব সহজভাবে বোঝান যে, বায়ুত্যাগ করাটা একটি অতি সাধারণ শারীরিক প্রক্রিয়া। বৃহদান্ত্রে খাবার হজম হওয়ার সময় মিথেন, হাইড্রোজেন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্যাস তৈরি হয়, যা চাপের কারণে নির্গত হয়। 

তিনি বলেন, একজন সুস্থ মানুষ দিনে গড়ে ১০-১২ বার পাদতে পারেন। পুরুষের ক্ষেত্রে যদি এটা দোষের না হয়, তবে নারীর কেন থাকবে? পাদ বা ফার্টের ক্ষেত্রে জেন্ডার, বর্ণ ও ধর্ম বা জাত দেখে বৈষম্য করা উচিত নয় বলে জানান অভিনেত্রী।

 যদিও সেটি ছিল একটি সিনেমার দৃশ্য়মাত্র। তবে এর আগে এলি আব্রাহামকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আদাহ শর্মা জানিয়েছিলেন— শুটিং সেটে অফ এবং অনস্ক্রিন দুই ক্ষেত্রেই বাতকর্ম করার অভিজ্ঞতা আছে তার। সেখানেও তিনি বুঝিয়েছিলেন— বাতকর্ম খুব স্বাভাবিক একটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।

আদাহ শর্মার সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওর কমেন্টবক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন— আপনি দেখতে খুব সুন্দর; কিন্তু অক্ষয় কুমারের সামনে ওই কাজটা করলেন? যাতা! খুব ঘেন্না করছে আমার।

এই মন্তব্য নজরে আসতেই দমে না গিয়ে বরং এক চিমটি রসিকতা আর খানিকটা বিজ্ঞানের মিশেলে জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী। আদাহ শর্মা নিজের ভিডিওর ক্যাপশন লিখেছেন— আমি কেন সঠিকভাবে গন্ধযুক্ত পাদলাম? 

আদাহ শর্মার এই স্পষ্টবাদী জবাবে মুগ্ধ নেটিজেনদের বড় একটি অংশ। অনেকেই বলছেন, সস্তা ট্রলিংয়ের চেয়ে ভালো জবাব আর হতে পারে না। কেউ কেউ আবার মজার ছলে লিখেছেন— আদাহর সৎ সাহস আছে বলেই তিনি এ বিষয় নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে পেরেছেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম