Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

শত চেষ্টায়ও পেটের মেদ কমছে না, ফলো করুণ তামান্না ভাটিয়ার ডায়েট চার্ট

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০২ পিএম

শত চেষ্টায়ও পেটের মেদ কমছে না, ফলো করুণ তামান্না ভাটিয়ার ডায়েট চার্ট

বলিউড ও দক্ষিণী অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

আপনার যত মেদ শুধু পেটেই। কারণ কারও গড়ন সুন্দর, কিন্তু মেদ থাকে শুধু পেটেই। আবার কারও ওজন কমলেও, কমতে চায় না ভুঁড়ি। সে জন্য ওজন কমানোর জন্য ডায়েট জরুরি।

এ বিষয়ে বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিং বলেছেন, আপনি শতচেষ্টা করেও তলপেটের মেদ কমাতে পারছে না। এর মূলত তিনটি কারণ রয়েছে। আপনার খাবার নিঃশব্দেই ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। অনেক সময়ে স্বাস্থ্যকর খাবারের মোড়কে আদতে থাকে ওজন বেড়ে যাওয়ার উপাদান। সে কারণেই খাওয়া নিয়ে সতর্ক হওয়া দরকার এবং পরিমিতি বোধও জরুরি।

তবে নির্দিষ্ট অংশে মেদ গলিয়ে সুঠাম শরীর পেতে চাইলে দরকার সঠিক শরীরচর্চা। যেমনটি পেয়েছেন তামান্না। তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিপাকহার ঠিক রাখা। কিন্তু খাদ্যতালিকায় বদল এনে, শরীরচর্চা করেও যদি পেটের মেদ না গলে? ভুল কি তবে শরীরচর্চায় না ডায়েটে?

এ বিষয়ে তামান্না ভাটিয়ার প্রশিক্ষক বলছেন, প্রোটিন স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে বলেই অনেকে বাদামের মাখন বেছে নেন। টোস্ট থেকে স্মুদিতে তা মিশিয়ে খাওয়া হয়। সে জন্য পরিমিতি বোধ জরুরি। কারণ বাদামের মাখনের ক্যালোরি অনেকটাই বেশি। স্বাস্থ্যকর ভেবে অনেকটা পরিমাণে খেয়ে ফেললে, ক্যালোরি বশে রাখা কঠিন। ফলে যখন কেউ ওজন কমাতে চাইছেন, তাকে বুঝেশুনে খেতে হবে। এ ছাড়া নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত দানাশস্য, গ্র্যানোলা স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় ফেলা হয়। তা মোটেও ঠিক নয়।

তবে শুধু সিদ্ধার্থ নন, নিয়ে সতর্ক করেছেন পেটের চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদরাও। তারা বলেছেন, গ্র্যানোলায় ক্যালোরির মাত্রা যথেষ্ট। তা ছাড়া স্বাদের জন্য বাজারজাত গ্র্যানোলায় শর্করা মেশানো হয়, শুকনো ড্রাই ফ্রুটসও থাকে। তা থেকে চিনির মাত্রা বাড়তে পারে।

এ ছাড়া বিয়ার সপ্তাহে এক দিন খেলেও তা থেকে ওজন কমানোর যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে। এই পানীয়তে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। তা ছাড়া বিয়ার বেশি খেলে বিপাকহারের গতিও কমতে পারে, যা ওজন কমার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ধরনের পানীয় এড়ানোই ভালো বলে জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ সিং।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম