Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

নামাজ পড়ার উপকারিতার মন্তব্যে তোপের মুখে নমিতা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১০ পিএম

নামাজ পড়ার উপকারিতার মন্তব্যে তোপের মুখে নমিতা

নমিতা থাপা। ফাইল ছবি

Advertisement

নমিতা থাপার মূলত ভারতের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী। এমকিওর ফার্মাসিউটিক্যালসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তিনি। তবে দর্শকদের কাছে নমিতা বেশি পরিচিত শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার বিচারক হিসেবে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। নামাজের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করার পর থেকেই তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে তার মা, কটূক্তি ও ট্রোলিংয়ের শিকার হন।

এ বিষয়ে নমিতা থাপার জানান, গত তিন সপ্তাহ ধরে তাকে ধারাবাহিকভাবে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে এবং একইসঙ্গে তার মাকেও অসম্মান করা হচ্ছে।

তার ভাষায়, একজন স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তি হিসেবে তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় ও শারীরিক অনুশীলনের উপকারিতা নিয়েই নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করে থাকেন। এর আগে যোগব্যায়ামের সূর্য নমস্কারের মতো বিষয় নিয়েও তিনি আলোচনা করেছেন, তবে তখন কোনো বিতর্ক তৈরি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, তাকে ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয়েছে যে ধর্ম মানেই পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা। কিন্তু বাস্তবে সেই সম্মান কতটা বজায় থাকে, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে— সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে যে নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে নিজেকেই তুলে ধরতে হয়।

ট্রোলকারীদের উদ্দেশে তিনি জানান, কেউ যা খুশি বলতে পারে, তবে হিন্দুধর্মে ‘কর্মফলের’ ধারণা রয়েছে—এ কথা তিনি বিশ্বাস করেন। নিজেকে একজন গর্বিত হিন্দু হিসেবেও পরিচয় দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ঈশ্বর সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছেন এবং যারা শিক্ষিত ও নৈতিকতায় বিশ্বাসী, তাদের উচিত ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।

গত ২৫ মার্চ তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে ঈদ উদযাপনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং নামাজকে একটি “ফুল বডি এক্সারসাইজ” হিসেবে উল্লেখ করেন।

ওই ভিডিওতে তিনি জানান, নামাজ শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধি, জয়েন্টের কার্যকারিতা উন্নয়ন, হজমশক্তি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। যদিও অনেকেই তার এ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন, তবে একটি অংশ থেকে তিনি তীব্র সমালোচনা ও ব্যক্তিগত আক্রমণের সম্মুখীন হন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম