Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

আনুশকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আবারও উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

আনুশকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আবারও উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠি। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠিকে নিয়ে নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে চলচ্চিত্র পাড়ায়। ৪৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর বিয়ে নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে কৌতূহলের শেষ নেই। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট সিনেমা উপহার দেওয়া আনুশকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আবারও উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। 

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবারের চাপের মুখে এবার বিয়ের সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন আনুশকা। 

গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এ ‘বাহুবলী’ অভিনেত্রী বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন। পাত্র হিসেবে এক ব্যবসায়ীর নাম শোনা যাচ্ছে, যিনি আনুশকার পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। 

উভয় পরিবার ইতোমধ্যে বিয়ের প্রাথমিক আলোচনাও সেরে ফেলেছে এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে বহুবার আনুশকার বিয়ের গুঞ্জন ভারতীয় গণমাধ্যমে এসেছে। কখনো কোনো চিকিৎসক, আবার কখনো কোনো সহ-অভিনেতার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা রটেছে। তবে এবারের খবরটি আগের তুলনায় অনেক বেশি জোরালো বলে মনে করছেন অনেকে। 

২০১৫ সালে এসএস রাজামৌলির ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’-এ ‘দেবসেনা’ চরিত্রে অভিনয় করে প্যান-ইন্ডিয়া তারকা হিসেবে খ্যাতি পান আনুশকা। তার অসাধারণ অভিনয় এবং সৌন্দর্য সেসময় বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। 

সর্বশেষ এই অভিনেত্রীকে ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তেলেগু অ্যাকশন থ্রিলার ‘ঘাঁটি’-তে ‘শীলভথ’ চরিত্রে দেখা গেছে, যেখানে তার সঙ্গে ছিলেন বিক্রম প্রভু ও জগপতি বাবু। 

তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির ‘সুপার’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় আনুশকার। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তবে সাম্প্রতিককালে তিনি সিনেমার কাজ কমিয়ে দিয়েছেন। এই নিয়ে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আনুশকা বর্তমানে পেশাগত জীবনের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। 

যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবরটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে, তবুও আনুশকা শেঠি বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। 

সূত্র: এমএসএন 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম