Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

তৃণমূলের পরাজয়ে পরমব্রতর ‘স্বস্তির নিঃশ্বাস’

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

তৃণমূলের পরাজয়ে পরমব্রতর ‘স্বস্তির নিঃশ্বাস’

টালিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

আলোচিত টালিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূলের হারের পর টালিউড তারকাদের অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন। এবার সেই ধারায় যোগ দিলেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা।

সম্প্রতি কলকাতার সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, ‘আসলে জনসাধারণের মধ্যে একটা রাগ ছিল। সেই রাগটা থাকা স্বাভাবিক। কারণ তৃণমূলের কজন নেতা-মন্ত্রী, বিধায়কের জুলুমবাজি জনতার কাছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভালো কাজকে গৌণ করে দিয়েছে। এটা তৃণমূলের অতি বড় সমর্থকও স্বীকার করবেন। সেখানে আমি তো তৃণমূল পার্টির সদস্য কিংবা কর্মীও নই।’ 

পরমব্রত আরও বলেন, ‘বাংলার সাবেক শাসক দলের যেমন কিছু ভালো প্রকল্প কাজ ছিল, তেমনই তাদের একটা অংশের কর্মীদের ঔদ্ধত্য, মানুষের জীবনে ঢুকে যাওয়ার চেষ্টা, একই সঙ্গে দুর্নীতি – এগুলো কোনোটাই তো অস্বীকার করা যায় না।’ 

এর আগে জল্পনা উঠেছিল, তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন এই অভিনেতা। এমনকি দলটির হয়ে মঞ্চে বক্তৃতা দিয়ে বেশ সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল তাকে। সেই দল নিয়ে এত সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও কেন তৃণমূলের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেতার স্পষ্ট বার্তা, ‘ভোটার তালিকা থেকে যেভাবে লাখ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়েছে, সেটা আমার অসাংবিধানিক মনে হয়েছে। আর গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করার অধিকারও আমার রয়েছে। 

আরও পড়ুন
পল্টি নিলেন কবীর সুমন

বর্তমানে রাজ্যে বামেরা সেভাবে নেই, আর কংগ্রেস তো অস্তিত্ব সংকটে, তাই প্রতিবাদের পথ হিসেবে তৃণমূলকেই বেছে নিয়েছিলাম। তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল এবং রয়েছে। উনিও জানতেন, আমি এসআইআর বিরোধী। সেকারণেই নির্বাচনের অন্তিম লগ্নে বেশ কটা প্রচারে গিয়েছিলাম।’ 

অর্থাৎ তার কথা থেকে স্পষ্ট, মূলত বিকল্প না থাকায় তৃণমূলের সঙ্গে প্রচারে ছিলেন ‘বাইশে শ্রাবণ’ খ্যাত এই তারকা।

টালিউডে তৃণমূলের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে পরমব্রত বলেন, ‘তৃণমূল সরকার সিনেশিল্পটা এমন কিছু লোকের হাতে তুলে দিয়েছিল, যারা কোনোভাবেই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত নন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলা সেই ক্ষমতার আস্ফালনের বিরুদ্ধেই লড়াইয়ে নেমেছিলাম আমরা। কিন্তু আমাদের সব কাজ নিষিদ্ধ করে দেওয়ার পর একটা সময়ে আমাকে অব্যাহতি চাইতেই হয়। 

আর আমার সেই লড়াইয়ের উপরই রাজনৈতিক রং লাগিয়ে দেওয়া হয়। অনেকের মতো আমাকেও অনেক অপমান হজম করতে হয়েছে। নির্বাচনি রেজাল্ট নিয়ে বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, কাঁটাছেড়া হতে পারে, কিন্তু এহেন ফলাফলে যদি আখেরে সিনেমার উন্নতি হয় কিংবা ফেডারেশনের খবরদারি বন্ধ হয়, তাহলে সেটা স্বস্তির।’  

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম