Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

১০ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে নিষিদ্ধ ছিলাম, বিস্ফোরক পোস্ট শ্রীলেখার

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম

১০ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে নিষিদ্ধ ছিলাম, বিস্ফোরক পোস্ট শ্রীলেখার

Advertisement

টালিউডে দীর্ঘদিন ক্ষমতা, প্রভাব আর সিন্ডিকেট নিয়ে গুঞ্জন ছিল, তবে সেসব খুব একটা প্রকাশ্যে আসেনি। এবার তা ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে। এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ইন্ডাস্ট্রির আলোচিত ও ঠোঁটকাটা স্বভাবের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। 

টালিউডের সংগঠক ও প্রযোজক স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি পোস্ট করেছেন তিনি, যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। গত ৪ জুন রাতে টালিগঞ্জ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পে কথিত চাঁদাবাজি চক্রের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। একজন মেকআপশিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ―দীর্ঘদিন ধরে কাজ না পাওয়ায় সুযোগ চাইতে তার কাছে যাওয়া হলে অর্থ দাবি করা হয়। আর সেই অর্থ দিতে না পারায় হুমকি দেওয়া হয়েছিল তাকে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর গত ৫ জুন তিনি তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘একজন মানুষ একদিনে স্বরূপ হয়ে ওঠে না, তাকে তৈরি করে নির্দিষ্ট একটি ব্যবস্থা। ওই ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরাও সমানভাবে দায়ী।’

এ অভিনেত্রীর প্রশ্ন, স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে যারা একসময় নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করেছেন, তাদের ভূমিকা নিয়ে কি আলোচনা হবে? তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, একসময় স্বরূপ বিশ্বাস সম্পর্কে শুধু একটি মন্তব্য করার জন্য ব্যাপক আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। এখন সেসব মানুষগুলোর অবস্থান কী, সেটিও জানতে চেয়েছেন।

এদিকে এই পোস্টের পরদিন, অর্থাৎ ৬ জুন বেলা ৩টা ৩৩ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে শ্রীলেখা দাবি করেছেন, তাকে মূলত এক দশক ধরে টালিউডে কাজ করতে দেয়া হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস এবং শিল্পের নিয়ন্ত্রণকারী কিছু তথাকথিত শিল্পীর জন্য নিষিদ্ধ অবস্থায় ছিলেন তিনি।

এ টালি তারকা লিখেছেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস এবং এই টালিউড শাসন করা তথাকথিত শিল্পীদের দ্বারা গত দশ বছর ধরে কার্যত আমাকে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। এ জন্য সংবাদমাধ্যমের বন্ধুদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দয়া করে সাক্ষাৎকারের জন্য কেউ আমার কাছে আসবেন না। আমি যা বলতে চেয়েছিলাম, তা ইতোমধ্যে বলে দিয়েছি।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম