Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

জয়া আহসানের সমালোচনায় ইলোরা গহর

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম

জয়া আহসানের সমালোচনায় ইলোরা গহর

জয়া আহসান ও ইলোরা গহর

Advertisement

মডেলিং, টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্র মিলিয়ে তিন দশক ধরে বিনোদন অঙ্গনে কাজ করছেন জয়া আহসান। দেশের পাশাপাশি ভারতের কলকাতায়ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন।  গত এপ্রিল মাসে এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান জানান, মাছ-মাংস খেতে তার ভালো লাগে না, এগুলো খেতে গেলে তার মনে হয় তিনি কোনো প্রাণীকে হত্যা করছেন। তার এ বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী ইলোরা গহর। 

এক সাক্ষাৎকারে ইলোরা গহর বলেন, জয়া আহসান দুই বাংলাতেই কাজ করছেন। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি চলচ্চিত্রে পুরস্কার পাচ্ছেন।তার টার্গেট ছিল সংসার নয়, অ্যাওয়ার্ড আর নাম্বার ওয়ান টপ নায়িকা থাকবেন।  সে সাকক্সেফুল। 

এই অভিনেত্রী বলেন, জয়া প্রাণী হত্যার বিরুদ্ধে কথা বলছেন। ‘মাছ-মাংস খেতে ভালো লাগছে না’, ‘জলটা একটু আমাকে দেবেন’- এ ধরনের কথা বলছেন তিনি। কিন্তু আমরা তো ভেজষ হয়ে যাইনি। আমাদের মাংস খেতে ভালো লাগে। আমার তো গরুর মাংস ভীষণ ভালো লাগে, পানি খেতেও ভালো লাগে। মাছ-মাংস খাওয়া জায়েজ। এতে প্রাণী হত্যা হয় না। এটা জয়াকে বুঝতে হবে। প্রাণী হত্যা মন্তব্য করার আগে উনি যদি বুঝতেন যে, আমরা বাংলাদেশে আছি, আমরা গরুর মাংস খাই। 

ইলোরা গহর বলেন, ঢাকা শহরে বস্তিবাসীর ঘরের চাল জোরা লাগানো নাই। হু হু করে বাতাস ঢুকে। আমি সেখানে যাই। গেল শীতেও মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে অসহায় বস্তিবাসীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি।  

জয়া আহসানকে বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ব্যাচেলর সিনেমার এই অভিনেত্রী বলেন, পশু হত্যা টাইপের কথা না বলে জয়ার উচিৎ ঢাকার বস্তিতে যাওয়া, মানুষের জন্য কাজ করা। তাকে গ্রামে যেতে হবে না। শহরেই অনেক বৃদ্ধ মানুষ আছে। সে যদি পশুপ্রীতি থেকে যদি মানুষপ্রীতি করতেন তাহলে ভালো হতো। 

‘জয়া হয়তো মানুষকে অনেক কিছু দেয়, হয় তো আমরা জানি না। ‍কিন্তু সে সোশ্যাল মিডিয়ায় যা প্রকাশ করে-‘আমি পশু হত্যা মানি না, মাংস খেতে ভালো লাগে না, বাজে লাগে। এগুলো বলা ঠিক না। কারণ এগুলো তো আমরা খাচ্ছি। ওর খাওয়া নিয়ে তো আমরা কিছু বলছি না’। 

জয়ার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, সে একটু ভেজষ হয়েছে। সে বলতে পারে- ‘আমি স্বাস্থ্যগত কারণে মাংস খাই না’। কিন্তু পশু হত্যা করছি- এই কথাটা মানানসই না। আমাদের মানুষ ভেজষ নয়। আমাদের দেশের মানুষ খরগোশ খায় না, কিন্তু কবুতর খায়। গ্রামের মানুষ তো গরুর মাংস সেভাবে খেতে পারে না। কিন্তু তারা তো কখনো এটাকে হত্যা বলছে না। তাহলে জয়ার ভাষ্য অনুযায়ী কি আমাদের কুরবানিকেও পশু হত্যা বলা হবে? 

নিজের পরিবারের কথা উল্লেখ করে ইলোরা বলেন, আমাদের বাসায় কুরবানি হতো না। আমার বাবা এটার বিরোধী ছিলেন। কিন্তু আমার মা লুকিয়ে ভাগে কুরবানি দিতেন। কাজেই এটাকে কখনো পশু হত্যা বলা যাবে না। 

জয়ার উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি। তুমি ভেজষ হয়ে গেছো ঠিক আছে, কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু তুমি ফুলপ্রীতি দেখাও, সবজি বাগান করছো- এগুলো খুব ভালো। কিন্তু পশুপ্রীতি দেখাতে গিয়ে এটাকে হত্যা বলা যাবে না।  

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম