Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

রাজকীয় আদলে গড়া গৌরীর বিয়ের আংটি, নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৫৬ ঘণ্টা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম

রাজকীয় আদলে গড়া গৌরীর বিয়ের আংটি, নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৫৬ ঘণ্টা

বিয়ের দিন দুজনই সেজেছিলেন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ।

Advertisement

বলিউড অভিনেতা আমির খান গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। ঘরোয়া আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্য, সন্তান ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় আনুষ্ঠানিকতা।

বিয়ের দিন দুজনই ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজেছিলেন। আমির পরেছিলেন আইভরি রঙের ধুতি-কুর্তা, যার বাম পাশে ছিল একটি ব্রোচ। অন্যদিকে গৌরী পরেছিলেন প্যাস্টেল রঙের লেহেঙ্গা, গলায় ছিল একাধিক স্তরের হার এবং তাজা ফুলে সাজানো ছিল তার চুল। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে তার হাতে থাকা বিশেষভাবে তৈরি বিয়ের আংটি।

বিলাসবহুল গয়নার প্রতিষ্ঠান ‘কুইন’  এর নকশায় তৈরি এই আংটির কেন্দ্রে বসানো হয়েছে মাদাগাস্কার থেকে সংগ্রহ করা অত্যন্ত বিরল প্রাকৃতিক ক্যাবোশন-কাট রুবি। প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত কুমার জানান, এত বিরল রুবি সংগ্রহ করতেই তিন মাসের বেশি সময় লেগেছে।

তার ভাষ্য, এই রুবি এতটাই বিরল যে একে ‘ওয়ান ইন আ মিলিয়ন’ বলা যায়। পুরো আংটিটি তৈরিতে ১৩১ জোড়া দক্ষ কারিগরের হাত এবং ২৫৬ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। এটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যাতে রাজকীয় ঐতিহ্যের ছাপ ফুটে ওঠে।

অমিত জানান, আংটির নকশা, রত্ন বসানো এবং চূড়ান্ত ফিনিশিং—প্রতিটি ধাপেই অত্যন্ত সূক্ষ্ম কারুকাজ করা হয়েছে। শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল প্রচলিত বিয়ের আংটি নয়, বরং এমন একটি উত্তরাধিকারযোগ্য অলংকার তৈরি করা, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংরক্ষিত থাকবে।

প্রচলিত রত্নখচিত আংটির মতো নয়, এই আংটিতে রুবিটি বসানো হয়েছে মুকুট-আকৃতির সোনার কাঠামোর ভেতরে। রুবিতে ব্যবহার করা হয়েছে ক্যাবোশন কাট, যেখানে পাথরের পৃষ্ঠ মসৃণ ও গম্বুজাকৃতির থাকে। এতে রুবির গভীর রঙ ও উজ্জ্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

মুকুটসদৃশ সোনার নকশা, সূক্ষ্ম মিলগ্রেইন অলংকরণ, হীরার কারুকাজ এবং বিরল মাদাগাস্কার রুবির সমন্বয়ে তৈরি এই বিশেষ আংটিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণযোগ্য এক রাজকীয় উত্তরাধিকার হিসেবে নকশা করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম