Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

সবাইকে না করলেও যে কারণে রজনীকান্তের সিনেমায় ক্যামিও করতে রাজি হন বিজয়

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৩ এএম

সবাইকে না করলেও যে কারণে রজনীকান্তের সিনেমায় ক্যামিও করতে রাজি হন বিজয়

বিজয় সেতুপতি ও রজনীকান্ত। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

অভিনেতা বিজয় সেতুপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি আর চলচ্চিত্রে অতিথি চরিত্রে (ক্যামিও) অভিনয় করতে আগ্রহী নন। তবে রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ ছবির ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তের ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন তিনি। 

বিজয় সেতুপতি জানান, রজনীকান্তের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধাবোধ থেকেই তিনি এই বিশেষ চরিত্রটিতে অভিনয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।

ইউটিউবে সঞ্চালক গোবিনাথের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বিজয় সেতুপতি ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি অতিথি চরিত্র থেকে সরে এসেছেন এবং কেন ‘জেলার ২’ অন্য সব চলচ্চিত্রের চেয়ে আলাদা। 

নিজের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজয় সেতুপতি বলেন, ‘আমি ক্যামিও চরিত্রে কাজ করা একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছি। এর একমাত্র ব্যতিক্রম ‘জেলার ২’, যা আমি শুধুমাত্র রজনীকান্ত স্যারের জন্য করেছি। 

‘জেলার ২’ ছবিতে যদি আমার পোস্টারও ব্যবহার করা হয়, তবুও দর্শকরা শুধুই রজনী স্যারকে খেয়াল করবেন। কিন্তু অন্য কোনো ছোট চলচ্চিত্রে আমার অতিথি চরিত্রকে ব্যবহার করে যখন পোস্টারের মাধ্যমে মার্কেটিং করা হয়, তখন প্রধান চরিত্র হিসেবে করা আমার নিজস্ব সিনেমাগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।’ 

নেলসন দিলীপকুমার পরিচালিত ‘জেলার ২’ সিনেমাটি ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৩ সালের ব্লকবাস্টার হিট সিনেমাটির সিক্যুয়েল হিসেবে এই ছবিতে রজনীকান্তকে আবারও ‘মুথুভেল পান্ডিয়ান’ চরিত্রে দেখা যাবে। 

এই চলচ্চিত্রে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, বিদ্যা বালান, এস. জে. সুরিয়া এবং সুরজ ভেঞ্জারমুডু। এ ছাড়া বিশেষ উপস্থিতি বা ক্যামিও চরিত্রে দেখা যাবে মোহনলাল, শিব রাজকুমার, হৃতিক রোশন এবং বিজয় সেতুপতিকে।

বিজয় সেতুপতিকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল কিশোর পান্ডুরং বেলেকর পরিচালিত নির্বাক চলচ্চিত্র ‘গান্ধী টকস’-এ। ২০২৩ সালের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়া’-তে ছবিটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হওয়ার পর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। 

ছবিটিতে বিজয় সেতুপতি ছাড়াও অভিনয় করেছেন অরবিন্দ স্বামী, অদিতি রাও হায়দারি, সিদ্ধার্থ যাদব, মহেশ মাঞ্জরেকর ও উষা নাদকার্নি। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম