যেভাবে অমরেশপুরির মান ভাঙান দক্ষিণী তারকা রজনীকান্ত
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০২:০১ পিএম
জনপ্রিয় অভিনেতা রজনীকান্ত ও বলিউডের শক্তিমান খলঅভিনেতা অমরেশপুরি।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
একটা সময় দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা রজনীকান্তের সঙ্গে একই সিনেমায় কাজ করতে অস্বীকার করেছিলেন বলিউডের শক্তিমান খলঅভিনেতা অমরেশপুরি। কারণ অভিনেতার নাকি মনে হয়েছিল— রজনীকান্ত তার ওপরে ‘বেশি দাপট’ দেখাচ্ছেন। সম্প্রতি সে বিষয়ে কথা বলেন অমরেশপুত্র রাজীবপুরি।
সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির পডকাস্টে সেই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে রাজীবপুরি বলেন, একবার চেন্নাই থেকে ফিরে এসে এ সিনেমার প্রযোজককে অমরেশ বলেছিলেন— রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করতে তিনি স্বচ্ছন্দবোধ করছেন না। তবে পরে নাকি রজনীকান্ত ক্ষমা চেয়ে নেন।
এরপর এ দুই তারকা হিন্দি ও তামিল মিলিয়ে মোট ৯টি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেন। রাজীবপুরি বলেন, 'ওরা ‘তলপতি’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। বাবা ওকে খুব পছন্দ করতেন।
সম্প্রতি একই সাক্ষাৎকারে বাবাকে নিয়ে আরও একটি পুরোনো বিতর্কের প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন রাজীবপুরি। জানা গেছে, অভিনেতা গোবিন্দকে নাকি অমরেশ চড় মেরেছিলেন। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে অমরেশপুত্র বলেন, তিনি এ ঘটনা বিশ্বাস করেন না। তিনি বলেন, গল্পটি তার পরিচিত বাবার স্বভাবের সঙ্গে একেবারেই মেলে না।
রাজীব বলেন, 'আমার মনে হয় না, ঘটনাটি সত্যি। আমার মনে হয় না, বাবা কখনো এমনভাবে রেগে গিয়ে মেজাজ হারিয়ে ফেলতেন। কেউ তাকে দুই-তিনবার বিরক্ত করলে তবে তিনি গলার স্বর চড়াতেন। কিন্তু অন্যথায় কাউকে চড় মারার মতো মানুষ তিনি ছিলেন না।
তিনি বলেন, এটা সত্যি নয়; আমিও ঘটনাটি শুনেছি, পড়েছি, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ভাবার মতো এতটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়নি। কারণ আমি জানি— বাবা কখনো এমন কাজ করতে পারেন না।
গোবিন্দ পরে বাবার সঙ্গে আর কাজ করেননি বলেও মনে করেন রাজীব। তিনি বলেন, সম্ভবত সময়মতো সেটে না পৌঁছানোর মতো কোনো বিষয় থেকেই তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল।
রাজীব বলেন, এ কারণেই হয়তো গোবিন্দ ভবিষ্যতে বাবার সঙ্গে আর কাজ করেননি। হয়তো তিনি বুঝেছিলেন যে, তিনি দেরি করে এসেছিলেন এবং সেটা ঠিক হয়নি। তাই সম্ভবত আর একসঙ্গে কাজ করেননি। তবে এই ধরনের বিষয় নিয়ে বাবা কারও উপর ব্যক্তিগত ভাবে রাগ পুষে রাখতেন বলে আমার মনে হয় না।”
দক্ষিণী সিনেমায় অমরীশপুরি ও রজনীকান্ত ৯টি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। তাদের ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘অন্ধা কানুন’ (১৯৮৩), ‘গঙ্গওয়া’ (১৯৮৪), ‘গিরফ্তার’ ও ‘মহাগুরু’ (১৯৮৫), ‘অসলী নকলী’ ও ‘দোস্তি দুশমন’ (১৯৮৬), ‘ইনসাফ কৌন করেগা’ (১৯৮৭), ‘তলপতি’ (১৯৯১) এবং ‘বাবা’ (২০০২)।

-6a93e23446d6d.jpg)