Logo
Logo
×
   

বিনোদন

শৈশবে মা শর্মিলার শিক্ষাই সন্তান পালনে বড় ভূমিকা সোহার

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম

শৈশবে মা শর্মিলার শিক্ষাই সন্তান পালনে বড় ভূমিকা সোহার

ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন জগতের তারকা থেকে সাধারণসন্তান পালন নিয়ে হোঁচট খাওয়ার গল্প ঘরে ঘরে। ঠিক তেমনই কন্যা ইনায়াকে বড় করতে করতে নানা রকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলিউড অভিনেত্রী সোহা আলি খানকে। অভিভাবকত্বের বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় তাকে। তবে সব নিয়মের মধ্যে একটি বিষয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি কড়া। আর সেই শিক্ষা তিনি পেয়েছেন তার মা বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের কাছ থেকে।

সোহা তার কন্যা ইনায়াকে রাত ৮টার মধ্যে ঘুম পাড়িয়ে দেন। পরিবারের অন্যরা তার এই নিয়মকে প্রথমে একটু বাড়াবাড়ি মনে করলেও শেষ পর্যন্ত মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেন, অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে সব কিছু নিয়ে আলোচনা বা সমঝোতা করা গেলেও সন্তানের ঘুমের সময়টি তিনি নির্দিষ্ট রাখতে চান। সোহা নিজেও রাত সাড়ে ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। যদিও প্রতিদিন তা সম্ভব হয় না।

আর এই অভ্যাসের পেছনে রয়েছে তার শৈশবের অভিজ্ঞতা। সোহা বলেন, তার মা শর্মিলাও সন্তানদের ঘুমের সময় নিয়ে যথেষ্ট কড়া ছিলেন। তিন সন্তানের মা এবং সফল অভিনেত্রী হয়েও শর্মিলা সন্তানদের জন্য একটি নির্দিষ্ট দৈনন্দিন ছন্দ বজায় রাখার চেষ্টা করতেন। তাই ছোটবেলায় সাইফ আলি খান, সাবা আলি খান এবং সোহা আলি খানকেও ৮টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে হতো। মায়ের কাছ থেকেই সোহা বুঝেছেন, শিশুর জীবনে একটি নির্দিষ্ট রুটিন থাকা কতটা জরুরি।

এ অভিনেত্রী বলেন, নির্দিষ্ট সময়সূচি শুধু শিশুর জন্যই উপকারী নয়, মায়ের জন্যও স্বস্তির। সন্তান সাধারণত কখন ঘুমাবে, কখন খাবে বা দিনের কোন সময়ে কী করবে, সম্পর্কে একটা ধারণা থাকলে অভিভাবকেরও মানসিক চাপ কিছুটা কমে। আর শিশুর জীবনটাও অনেক বেশি গোছানো হয়।

শুধু ঘুম নয়, মেয়ের পড়ার অভ্যাস তৈরি করতেও সচেতন সোহা আলি খান। ইনায়াকে বই পড়তে উৎসাহ দেওয়ার জন্য নানা রকম কৌশল অবলম্বন করেন তিনি। তাকে বলেন— ‘বই না পড়লে টেলিভিশন দেখা যাবে না তবে সোহা নিজেই মনে করেন, সব শিশুর মধ্যে স্বাভাবিকভাবে পড়ার আগ্রহ থাকে না। তাই কখনো উৎসাহ দিতে হয়।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম