Logo
Logo
×
   

বিনোদন

ইতালিতে হেনস্তার শিকার বাঁধন, ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন অভিনেত্রী

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ এএম

ইতালিতে হেনস্তার শিকার বাঁধন, ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন অভিনেত্রী

ইতালির ভেনিসে মারধর ও হেনস্তার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে রীতিমতো মারধর ও  হেনস্তার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। 

তার অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকার কারণেই তাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা এর নেপথ্যে। 

হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী এবং ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন বলে জানান তিনি। ঘটনার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে বিস্তারিত জানান বাঁধন। 

পরে হামলা ও হেনস্তার কয়েকটি ভিডিও তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন তিনি। 

ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে এসে বাঁধন বলেন, আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে অনেক বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে। আমার গায়ে পানি, কোক এগুলো ছুঁড়ে মারছে। আমি একদম ভিজে গেছি। আমার সঙ্গে আমার ভাইয়ের ছোট বাচ্চাটাও ছিল। তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে। সো এগুলো তারা করেছে। 

বাঁধন বলেন, তারা বলেছে যে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা।  আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তারা আমাকে বলেছে যে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে। তো এবং তারা সেগুলো ভিডিও করেছে এবং সেগুলো তারা লাইভ করছিল, আপলোড করছিল। 

এই অভিনেত্রী আরও বলেন, তো আওয়ামী লীগের যে কর্মীরা জানেন না যে আমি বাংলাদেশ থেকে যে সিনেমাটা নিয়ে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আসছি, সেই সিনেমাটার ডিরেক্টর হচ্ছে রুবাইয়াত হোসেন, যার বাবা আপনাদের একজন সম্মানিত মন্ত্রী ছিলেন। আপনারা একটু খবর নিয়ে দেখবেন। সো আমি তার সঙ্গে কাজ করেছি এবং জুলাইয়ের পরেই কাজ করেছি। 

অভিনেত্রী আরও বলেন, আপনারা যে কাজটা আজকে করেছেন, আমি বলব যে আপনাদের এই ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে আপনাদের বের হয়ে আসা উচিত ছিল যেটা আপনারা করতে পারেননি। আপনারা ভেবেছেন যে আমরা এইভাবে করেই হয়তো পরবর্তীতে আমাদের জায়গাটা আবার সুগঠিত করতে পারব। সেটা আমার মনে হচ্ছে না আপনাদের এই ধরনের আচরণের কারণে। 

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভেনিসের একটি থানায় বাঁধন অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। 

উল্লেখ্য, ঘটনার পর বাঁধনকে স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায়নি। তার চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ দেখা যায়। আঘাতে তার মুখ ফুলে ও লাল হয়ে যায়। 

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার ছিলেন বাঁধন। ধারণা করা হচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটেই এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম