ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী ঈশাকে পরামর্শ সালমানের
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বলিউড অভিনেতা সালমান খানের জীবনেও নানা সময় উঁকি মেরেছে প্রেমের বসন্ত। মন ভেঙেছে বহুবার, তবু পেশাদারত্ব ভোলেননি। ব্যক্তিগতজীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই ভালোবাসায় আঘাত পেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর টিপস দিলেন তিনি।
মার্চের শেষলগ্নে র্যাপার বাদশার সঙ্গে দাম্পত্যের নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ঈশা রিখি। কিন্তু ছয় মাস যেতে না যেতেই বৈবাহিকজীবনে ধস। গত জুলাইয়ে বাদশার সঙ্গে ঈশার দাম্পত্যে অশান্তির কানাঘুষা শোনা গিয়েছিল। জল্পনার পালে হাওয়া তুলেছিল সামাজিক মাধ্যমে বাদশা ঘরনি ঈশার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট। এরপর যৌথ বিবৃতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন এ তারকা দম্পতি।
বিচ্ছেদ যন্ত্রণাকে সঙ্গী করেই ‘বিগ বস ২০’-এর আসর মাতাবেন ঈশা রিখি। সালমান খানের সঙ্গে মানসিক যন্ত্রণার কথা শেয়ার করে জানান, বিয়ের মাত্র কয়েক মাসে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ভাইজানের সঙ্গে কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ঈশা রিখি। বিশ্বাসভঙ্গ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি তিনি। বিয়ের অল্প কয়েক মাসে বহু খারাপ অভিজ্ঞতা নিয়ে স্বামী-সংসার ছেড়েছেন অভিনেত্রী। দাম্পত্যের বয়স হয়তো চার থেকে পাঁচ মাস, কিন্তু সেই স্বল্প সময়ের অভিজ্ঞতা তাকে পুরো বদলে দিয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ‘বিগ বস ২০’-এর গ্র্যান্ড প্রিমিয়ারেই বাদশার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন ঈশা রিখি। তার ক্ষততে প্রলেপ ভাইজানের!
ঈশা রিখি বলেন, আমি সত্যিই অনেক চেষ্টা করেছিলাম। কারণ বিয়ে করে সংসার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কিছু অভিজ্ঞতা মানুষকে বদলে দেয়। তিনি বলেন, আমার মনে হয় কোনো সম্পর্কে যখন আপনার বিশ্বাস ভেঙে যায়, তখন একটা সময় আপনি ভাবতে শুরু করেন কোথায় ভুল করলাম?
এ অভিনেত্রী বলেন, কিন্তু আমি যে পরিস্থিতি পার করে এসেছি, তা নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। আমি বুঝতেই পারিনি কখন নিজের গল্পেই আমি পার্শ্বচরিত্র হয়ে গিয়েছিলাম। তবে আমার কোনো আপসোস নেই।
তিনি বলেন, আমি বিগ বস-এ এসেছি যাতে নিজের পরিচয় তৈরি করতে পারি। মানুষ যেন আসল ঈশাকে চিনতে পারে। আর আমি এই শো জিততে চাই।
অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সঞ্চালক সালমান খান। ভাইজান বলেন, সবারই তো ব্রেকআপ হয়। দেখুন, আপনার সামনে কে দাঁড়িয়ে আছে। কেউ যেন আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য কৃতিত্ব না পায়। অন্য মানুষটি অনেক আগেই এগিয়ে গেছে।

