ডিভোর্সে গৌরবের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা খোরপোশ দাবি, যা বললেন আকাঙ্ক্ষা
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মডেল-অভিনেতা গৌরব খান্না ও অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা চামোলার সম্পর্ক ভাঙার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
সম্প্রতি ‘দ্য লক আপ’ অনুষ্ঠানে গিয়ে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন— 'তিনি এবং গৌরব দীর্ঘদিন ধরেই আলাদা থাকছেন। এবার তাদের বিচ্ছেদ আনুষ্ঠানিক হওয়ার অপেক্ষা।'
আকাঙ্ক্ষা নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিয়ের আগে তিনি বাইসেক্সুয়াল ছিলেন এবং নারীদের সঙ্গে তার সম্পর্কও ছিল। গৌরব এ বিষয়টি জানতেন এবং তা সত্ত্বেও তাকে গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে গৌরব খান্না এর আগে ‘বিগ বস’-এ জানিয়েছিলেন, তিনি সন্তান চান। তবে আকাঙ্ক্ষা সন্তান নিতে চান না। যদিও স্ত্রীর এ সিদ্ধান্তকে তিনি সম্পূর্ণ সমর্থন করেন বলেও জানান।
গৌরবের এই মন্তব্যের পর আকাঙ্ক্ষাকে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ট্রলিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল। পরে অভিনেত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন— সন্তান না নেওয়া তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এর জন্য কাউকে কোনো ব্যাখ্যা দিতে তিনি বাধ্য নন।
এবার বিবাহবিচ্ছেদের পর গৌরবের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা খোরপোশ চাইতে পারেন আকাঙ্ক্ষা। এমনকি সম্পর্কভাঙার মাঝেই ১০ কোটি টাকা খোরপোশ নেওয়ার গুঞ্জন উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিনেত্রীর দাবি, সত্যিই যদি তার কাছে এত টাকা থাকত, তাহলে অনেক আগেই দেশ ছেড়ে চলে যেতেন বলে জানান তিনি।
মাসাবেল ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আকাঙ্ক্ষা চামোলা বলেন, সত্যিই যদি তিনি এত টাকা চাইতেন এবং তা পেয়ে যেতেন, তাহলে তিনি আর সেখানে বসে থাকতেন না। বরং অনেক আগেই দেশ ছেড়ে চলে যেতেন।
অভিনেত্রী বলেন, তিনি এমন মানুষ নন, যিনি খোরপোশের জন্য মুখিয়ে থাকবেন। ১০ কোটি টাকা খোরপোশ নেওয়ার যে খবর ছড়িয়েছে, তা নিয়েই কার্যত প্রশ্ন।
এদিকে গৌরব খান্না ও আকাঙ্ক্ষা চামোলার বয়সের ব্যবধান নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নেটিজেনদের মাঝে নানা মন্তব্য প্রকাশ্যে আসে। আকাঙ্ক্ষা যখন গৌরবকে বিয়ে করেন, তখন তার বয়স ছিল ২৪ বছর। গৌরব তার থেকে প্রায় ১০ বছরের বড়। এই বয়সের ব্যবধানের কারণে আকাঙ্ক্ষাকে ‘সুগার ড্যাডি’র সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগেও কটাক্ষ করা হয়েছিল।
এমন মন্তব্যের জবাবে আকাঙ্ক্ষা চামোলা বলেন, সাধারণত ৩০, ৪০ কিংবা ৫০ বছর বয়সি পুরুষকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলা হয়। কারও থেকে ১০ বছর বড় হলেই তাকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলে না।
আবার বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা চললেও আকাঙ্ক্ষার সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে এখনো ‘আকাঙ্ক্ষা গৌরব খান্না’ নামটি রয়েছে। কেন এখনো নাম পরিবর্তন করেননি, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী।
মেটাসংক্রান্ত কিছু সমস্যার কারণেই নাকি এখনো নাম বদলানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন আকাঙ্ক্ষা চামোলা। তিনি বলেন, ‘মেটা-ওয়ালারা করেই দিচ্ছে না।’
উল্লেখ্য, গৌরব ও আকাঙ্ক্ষা চামোলা ২০১৬ সালে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর বিয়ে করেছিলেন। তবে তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে গৌরব এখনো প্রকাশ্যে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি। যদিও আকাঙ্ক্ষা চামোলা যখন ‘দ্য লক আপ’-এ ছিলেন, তখন গৌরব তাকে সমর্থন করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছিলেন। এমনকি আকাঙ্ক্ষার পাশে দাঁড়াতে শোতেও হাজির হয়েছিলেন তিনি।
