Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

নায়করাজের নাতনির সঙ্গে ভ্রমণে মুগ্ধতার গল্প ববিতার

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

নায়করাজের নাতনির সঙ্গে ভ্রমণে মুগ্ধতার গল্প ববিতার

সংগৃহীত

Advertisement

একসময়ের ঢালিউডের জনপ্রিয় কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা বর্তমানে সিনেমা থেকে অনেকটা দূরে সরে আছেন। বর্তমানে তিনি কানাডায় ছেলে অনিকের সঙ্গে বসবাস করছেন। মাস দুয়েক আগে ছেলের বাসায় সময় কাটাতে যান অভিনেত্রী। তার ছেলে থাকেন কিচেনারে। 

অন্যদিকে প্রয়াত কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাকের মেজ ছেলে রওশন হোসেন বাপ্পী পরিবার নিয়ে থাকেন টরন্টোতে। নায়করাজের বড় ছেলে বাপ্পারাজ ও ছোট ছেলে সম্রাটকে দেশের মানুষ সবাই চেনেন। কিন্তু মেজ ছেলে রওশন হোসেন বাপ্পীকে তেমন কেউ একটা চেনেন বলে মনে হয় না। অবশ্য বাপ্পী কখনো যুক্ত ছিলেন না অভিনয়ের সঙ্গে। ২০১৩ সাল থেকে তিনি পরিবার নিয়ে কানাডায় বসবাস করছেন। ববিতা কানাডায় গেলে সেই বাপ্পীর পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

তিন দিন আগে দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে কুইবেকে যান। সেখানে কিছু সময় কাটিয়ে পরে জ্যাসপারের উদ্দেশে রওনা হন। তবে এই ভ্রমণে ববিতার আনন্দের আরেকটি দিক ছিল— রাজ্জাক পরিবারের সঙ্গে পুরোনো পারিবারিক সম্পর্কের টান। রাজ্জাকের পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক আজকের না, ছিল দীর্ঘদিনের। 

প্রয়াত কিংবদন্তি নায়করাজ জীবদ্দশায় থাকতেই দুই পরিবারের মধ্যে ছিল নিয়মিত যাওয়া-আসা। ববিতার ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও রাজ্জাকের মতামত গুরুত্ব পেত। নায়করাজ রাজ্জাককে স্মরণ করে এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী বলেন, ‘রাজ্জাক ভাই শুধু পর্দার নায়ক ছিলেন না, আমার চোখে বাস্তব জীবনেও তিনি ছিলেন সত্যিকারের নায়ক।’

প্রয়াত কিংবদন্তির পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক যে কতটা পারিবারিক, সেটিও জানিয়েছেন ববিতা। তিনি বলেন, রাজ্জাক পরিবারের যে কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাকে দাওয়াত করা হতো। আবার তার নিজের পারিবারিক অনুষ্ঠানেও রাজ্জাক পরিবার থাকত। আর বাপ্পীর সঙ্গে সম্পর্কটাও যেন সেই পুরোনো পারিবারিক বন্ধনেরই ধারাবাহিকতা। এ কিংবদন্তি অভিনেত্রী বলেন, ‘বাপ্পীও আমার সন্তানের মতো। ছোটবেলা থেকে আমাদের দুই পরিবারের যাওয়া-আসার কারণে সম্পর্কটা অনেক বেশি পারিবারিক হয়েছে।’

সকাল ৭টায় যাত্রা শুরু করেছিলেন সবাই। কুইবেক থেকে জ্যাসপার যাওয়ার পথে এমনই এক আনন্দময় ভ্রমণের মুহূর্ত ধরা পড়েছে এ অভিনেত্রীর ভিডিওতে। কানাডার সাগরপাড়ের পথ। এক পাশে আটলান্টিকের জলরাশি, অন্য পাশে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য। সেই সৌন্দর্য দেখে গাড়িতে বসেই মুগ্ধতা প্রকাশ করছিলেন ববিতা। 

অভিনেত্রী জানালার কাচ নামিয়ে কখনো সমুদ্র দেখছেন, কখনো ভিডিও করছেন; আবার কখনো নিজের মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করছেন। আর গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে নায়করাজ রাজ্জাকের নাতনি নাজলি হোসেন ঐশী। গাড়িতে তার সঙ্গে ছিলেন বাপ্পী, তার স্ত্রী নাহিদ হোসেন হ্যাপি। 

দীর্ঘ পথের যাত্রায় গাড়ির চালকের আসনে ঐশী, পাশে তার বাবা বাপ্পী। আর পেছনের আসনে বসে হ্যাপি ও ববিতা উপভোগ করছিলেন রাস্তার সৌন্দর্য। গাড়ি চলছিল আটলান্টিক সমুদ্রের পাশ দিয়ে। জানালার বাইরে তাকিয়ে ববিতার কণ্ঠে বিস্ময়, ‘আমরা সবাই কুইবেক থেকে যাচ্ছি আটলান্টিক সমুদ্রের পাশ দিয়ে। কী অপূর্ব সাগর! ওরে বাবা... সাংঘাতিক!’

ভিডিওতে ববিতা জানাচ্ছিলেন, প্রায় দেড় ঘণ্টা পর তারা জ্যাসপারে পৌঁছাবেন। মাঝেমধ্যে পথের দৃশ্য দেখছিলেন আর গাড়ির ভেতরের সঙ্গীদের কথাও জানাচ্ছিলেন। যেন কানাডার পথ ধরে একটুকরো পারিবারিক ভ্রমণের গল্পই তুলে ধরছিলেন এ কিংবদন্ত অভিনেত্রী।

জ্যাসপারে পৌঁছে মুগ্ধতা প্রকাশ করে দাঁড়িয়ে ভিডিওতে ববিতা বলেন, ‘জ্যাসপার। অপূর্ব! আমরা এখানে আছি।’ এরপর সমুদ্রের পাড় থেকে ছেলে অনিকের সঙ্গে ভিডিওকলে কথাও বলেন অভিনেত্রী। 

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম