‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ বললেও কেউ নিজের মতো থাকতে দেয় না: অনুপম
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আসছে দুর্গাপূজা। আর দুর্গাপূজা মানেই সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের কাছে গত ১৬ বছরে ছিল দেশ-বিদেশে গানের অনুষ্ঠান, না হলে বাড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে একটা সুন্দর আড্ডা। কিন্তু এ বছরের দুর্গাপূজা বদল আনল তার জীবনে? মাত্র এক মাস হলো বাবা হয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। তাই এখন আর নিজের দিনলিপি মেনে কিছুই করার অবকাশ নেই তার।
কারণ সব কিছুই যে এখন তার একরত্তির নিয়ন্ত্রণে! পুত্রসন্তান হওয়ার পর জীবনটা তার আমূল বদলে গেছে— এমনই জানালেন ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’-এর স্রষ্টা। এখন আর কোনো কিছুই নিজের ভাবনা অনুযায়ী করতে পারেন না তিনি। তাই এখন পর্যন্ত দুর্গাপূজা নিয়ে সঠিক পরিকল্পনা করে উঠতে পারেননি অনুপম রায় ও প্রস্মিতা দম্পতি।
ছেলের জন্য কি পূজার কেনাকাটা করে ফেলেছেন গায়ক? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মজার ছলে উত্তর দেন, এখনো সেভাবে ছেলের জন্য কিছু কেনার সুযোগই হয়নি তার। প্রতিদিনই তার জন্য কেউ না কেউ উপহার দিচ্ছেন। তাই ছেলের জন্য কেনাকাটাই হচ্ছে না তার।
তিনি বলেন, তবে স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গে এ বছরের দুর্গাপূজায় বাড়িতেই থাকার ইচ্ছা তার। সন্তানকে নিয়ে বেরোনো একটু মুশকিল। পূজায় গানের অনুষ্ঠান, ঠাকুর দেখতে যাওয়া, খাওয়া-দাওয়ার আনন্দ এক রকম আর ছেলেকে নিয়ে বা়ড়িতেই তার প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করার আনন্দ অন্য রকম।
প্রতি মুহূর্তের সিদ্ধান্ত এখন এক মাসের ছেলের দিকে তাকিয়েই নিতে হচ্ছে বলে জানান এ সংগীতশিল্পী। তিনি বলেন, আগামীকাল সকাল থেকে কী করব, সেটাই এখনো পরিকল্পনামাফিক করে উঠতে পারিনি। সবটাই হচ্ছে তার মতো করে। তাই পূজার ভাবনা এখনো ভেবে উঠতে পারিনি।
তবে এটা নিশ্চিত এবার কোনোভাবেই দুর্গাপূজার প্যান্ডেলে এ সংগীতশিল্পী দেখতে পাওয়া যাবে না। সেই বদলটা ঘটেছে ২০১০ সাল থেকেই। কারণ সেই সময় তিনি একটু নিভৃতে নিজের মতো করেই এ চারটা দিন কাটাতে ভালোবাসেন।
অনুপম বলেন, আসলে ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’-এর পর প্যান্ডেলে গেলে তো কেউ আর আমাকে আমার মতো থাকতে দেয় না। তাই প্যান্ডেলে ঘোরা এখন আর হয় না বলেও জানিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী।
তবে বেঙ্গালুরুর সময়টা চুটিয়ে উপভোগ করেছেন অনুপম রায়। কলকাতায় পাকাপাকিভাবে সংগীতজীবন শুরুর আগে বেশ কয়েক বছর বেঙ্গালুরুরে থাকতেন অনুপম, সেখানে পূজার সময় ঘুরতে বেরিয়েছেন, বাইরে খাওয়া-দাওয়াও করেছেন। তবে এখন প্রস্মিতা আর ছেলেকে নিয়ে একেবারে অন্যরকম জীবন তার।

