বাড়ি বন্ধক-ব্যাংকঋণ নেওয়া দিয়া মির্জা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
প্রযোজক ও অভিনেত্রী দিয়া মির্জা ২০০১ সালে ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন। এর প্রায় এক দশক পর প্রযোজনায় নাম লেখান অভিনেত্রী। বলিউড অভিনেত্রী থেকে প্রযোজক হওয়ার পথটা খুব একটা সহজ ছিল না তার।
২০১৪ সালে নিজের প্রযোজনায় ‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি নির্মাণে হাত দেন দিয়া মির্জা। এ সিনেমাটি করতে গিয়ে তাকে নিজের কেনা প্রথম বাড়িটি বন্ধক রাখতে হয়েছিল। এমনকি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হয়েছিল। তবে নানা প্রতিকূলতা সামলে পরে সেই ঋণের বোঝা মিটিয়ে নিজের বাড়ি ফেরত পেতে সক্ষম হন এ অভিনেত্রী।
নারীপ্রধান গল্প ‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিলে এতে অভিনয়ের জন্য রাজি হন অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। তবে শুটিং শুরুর ঠিক আগেই সিনেমাটির সব বিনিয়োগকারী সরে দাঁড়ান। একটা সময় চরম বিপাকে পড়েন তিনি। অনিশ্চয়তায় পড়ে পুরো প্রজেক্টটি।
এমন পরিস্থিতিতে হাল না ছেড়ে কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখে ও ব্যাংকঋণ নিয়ে সিনেমার কাজে হাত দেন দিয়া মির্জা। সেই সিনেমাটি মুক্তির পর বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। তবে সিনেমাটি নিজের মনের মতো করে নির্মাণ করতে পেরে সন্তুষ্ট ছিলেন অভিনেত্রী। সিনেমা ব্যবসার ক্ষতি সামলে পরে নিজের কাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ব্যাংকের ঋণ শোধ করেন এবং বন্ধক রাখা বাড়িটিও ছাড়িয়ে নেন এ বলিউড অভিনেত্রী।
‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি করতে গিয়ে নারী হওয়ার কারণে তাকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলেও জানান দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর তাকে অভিনয়ে কাজ পেতেও বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। কোনো পুরুষ অভিনেতা এই কাজ করলে তিনি মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক পেতেন, তাই নারী অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রেও একই সম্মান বজায় রাখা উচিত বলে জানান এ অভিনেত্রী।
দিয়া বলেন, আমি আমার প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখেছিলাম। যে গল্পটা বলতে চেয়েছিলাম, সেটি লেখা হয়ে গিয়েছিল। বিদ্যা বালানের মতো অসাধারণ একজন শিল্পী আমার সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি হয়েছিলেন। একটা টিমও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ বিনিয়োগকারীরা সরে গেলেন।

