সেই ব্যক্তি যে কোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো: শাবনূর
jugantor
সেই ব্যক্তি যে কোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো: শাবনূর

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ মার্চ ২০২০, ১৩:০০:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সেই ব্যক্তি যে কোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো: শাবনূর

শাবনূর এক চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছিলেন বলে অভিযোগ তার স্বামী অনিক মাহমুদের। কিন্তু অনিকের এ দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

এভাবে দুজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছেই। অনিক জানান, শাবনূর ছিলেন বিবাহিত। তাকে বিয়ে করার আগে এক চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছিলেন শাবনূর। ইস্কাটনের বাসায় ওই চীনা নাগরিকের সঙ্গে কয়েকবার হাতেনাতে ধরাও পড়েন শাবনূর।

অনিকের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শাবনূর বলেন, চীনা নাগরিককে বিয়ে করলে অনিককে কেন বিয়ে করব? অনিক যার দিকে আঙুল তুলছেন, সেই ব্যক্তি যে কোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো। অনিক একটা বাজে ছেলে এবং নেশাগ্রস্ত।

এদিকে শাবনূরের তালাকনামা পাঠানোর ১৫ মাস আগে আয়েশা আকতার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন অনিক মাহমুদ। গণমাধ্যমকে এমন তথ্য দিয়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী বলেন, আমি আসলে এসব নিয়ে কথা বলতে চাইনি। অনিক আমাকে বাধ্য করেছে।

তিনি বলেন, আমি অনেক ভেবেচিন্তে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ভাবছিলাম, বিষয়টি চুপচাপ শেষ হয়ে যাক; কিন্তু অনিকের কথাবার্তা একেবারে অগ্রহণযোগ্য। উল্টাপাল্টা কথা বলে দেশের মানুষ ও ভক্তদের কাছে আমার ইমেজ নষ্ট করতে চাইছিল, এমনটি তো হতে দিতে পারি না।

এমনকি তাকে নিয়ে কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুশিয়ারি দেন এই চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

তবে এর আগে শাবনূর ছাড়া কাউকে বিয়ে করেননি বলে জানিয়েছিলেন অনিক মাহমুদ। শারমীন নাহিদ নূপুর ওরফে শাবনূর জানান, তিনি অনিককে বিয়ে করে ভুল করেছেন। পরিবারের সবাই বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, তাই তিনি বিয়ে করেছেন।

শাবনূর বললেন, আমারও বিয়ে করার ঝোঁক তৈরি হয়। এর পর বিয়ে করেছি। বিয়ের কিছু দিন পরই মনে হয়েছে, বিয়ে করে ভুল করেছি।

অনিকের ব্যাপারে যেসব তথ্য গণমাধ্যমে শাবনূর পাঠান, তাতে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পাসপোর্টে দেয়া তথ্য যাছাই করে দেখা গেছে, আয়েশা আকতার নামে একজন অনিক মাহমুদের স্ত্রী আছে।

অবশেষে ভেঙেই গেল একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূরের সংসার। গত কয়েক বছর ধরেই অবশ্য গুঞ্জন ছিল, স্বামী অনিকের সঙ্গে থাকছেন না তিনি। অনেকে বলেছেন, সংসার ভেঙে গেছে। তবে সেসব গুঞ্জন বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন এ নায়িকা।

এবার সেসব গুঞ্জন নিজেই সত্যি প্রমাণ করলেন শাবনূর। বনিবনা না হওয়ায় স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়কে তালাক দিয়েছেন তিনি।

২৬ জানুয়ারি এ নায়িকার স্বাক্ষর করা একটি তালাক নোটিশ অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে স্বামীর ঠিকানায়। তালাক নোটিশের অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে সাক্ষী হিসেবে নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামে দুজনের নাম উল্লেখ রয়েছে।

নব্বই দশকের শুরুতে পরিচালক ইহতেশামের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে শাবনূরের। এর পর সালমান শাহর সঙ্গে জুটি গড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দেন। গত ২৬ বছর ধরেই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন শাবনূর।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয় নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আংটিবদল করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। এর পর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তারা বিয়ে করেন।

সেই সংসারে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। এ সন্তানকে নিয়ে বছরের বেশিরভাগ সময় অস্ট্রেলিয়ায় কাটান এ চিত্রনায়িকা। দেশটির নাগরিকত্বও পেয়েছেন বলে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।

সেই ব্যক্তি যে কোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো: শাবনূর

 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ মার্চ ২০২০, ০১:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সেই ব্যক্তি যে কোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো: শাবনূর
ছবি: সংগৃহীত

শাবনূর এক চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছিলেন বলে অভিযোগ তার স্বামী অনিক মাহমুদের। কিন্তু অনিকের এ দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

এভাবে দুজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছেই। অনিক জানান, শাবনূর ছিলেন বিবাহিত। তাকে বিয়ে করার আগে এক চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছিলেন শাবনূর। ইস্কাটনের বাসায় ওই চীনা নাগরিকের সঙ্গে কয়েকবার হাতেনাতে ধরাও পড়েন শাবনূর।

অনিকের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শাবনূর বলেন, চীনা নাগরিককে বিয়ে করলে অনিককে কেন বিয়ে করব? অনিক যার দিকে আঙুল তুলছেন, সেই ব্যক্তি যে কোনো দিক থেকে অনিকের চেয়ে ভালো। অনিক একটা বাজে ছেলে এবং নেশাগ্রস্ত।

এদিকে শাবনূরের তালাকনামা পাঠানোর ১৫ মাস আগে আয়েশা আকতার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন অনিক মাহমুদ। গণমাধ্যমকে এমন তথ্য দিয়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী বলেন, আমি আসলে এসব নিয়ে কথা বলতে চাইনি। অনিক আমাকে বাধ্য করেছে।

তিনি বলেন, আমি অনেক ভেবেচিন্তে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ভাবছিলাম, বিষয়টি চুপচাপ শেষ হয়ে যাক; কিন্তু অনিকের কথাবার্তা একেবারে অগ্রহণযোগ্য। উল্টাপাল্টা কথা বলে দেশের মানুষ ও ভক্তদের কাছে আমার ইমেজ নষ্ট করতে চাইছিল, এমনটি তো হতে দিতে পারি না।

এমনকি তাকে নিয়ে কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুশিয়ারি দেন এই চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

তবে এর আগে শাবনূর ছাড়া কাউকে বিয়ে করেননি বলে জানিয়েছিলেন অনিক মাহমুদ। শারমীন নাহিদ নূপুর ওরফে শাবনূর জানান, তিনি অনিককে বিয়ে করে ভুল করেছেন। পরিবারের সবাই বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, তাই তিনি বিয়ে করেছেন।

শাবনূর বললেন, আমারও বিয়ে করার ঝোঁক তৈরি হয়। এর পর বিয়ে করেছি। বিয়ের কিছু দিন পরই মনে হয়েছে, বিয়ে করে ভুল করেছি।

অনিকের ব্যাপারে যেসব তথ্য গণমাধ্যমে শাবনূর পাঠান, তাতে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পাসপোর্টে দেয়া তথ্য যাছাই করে দেখা গেছে, আয়েশা আকতার নামে একজন অনিক মাহমুদের স্ত্রী আছে।

অবশেষে ভেঙেই গেল একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূরের সংসার। গত কয়েক বছর ধরেই অবশ্য গুঞ্জন ছিল, স্বামী অনিকের সঙ্গে থাকছেন না তিনি। অনেকে বলেছেন, সংসার ভেঙে গেছে। তবে সেসব গুঞ্জন বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন এ নায়িকা।

এবার সেসব গুঞ্জন নিজেই সত্যি প্রমাণ করলেন শাবনূর। বনিবনা না হওয়ায় স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়কে তালাক দিয়েছেন তিনি।

২৬ জানুয়ারি এ নায়িকার স্বাক্ষর করা একটি তালাক নোটিশ অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে স্বামীর ঠিকানায়। তালাক নোটিশের অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে সাক্ষী হিসেবে নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামে দুজনের নাম উল্লেখ রয়েছে।

নব্বই দশকের শুরুতে পরিচালক ইহতেশামের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে শাবনূরের। এর পর সালমান শাহর সঙ্গে জুটি গড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দেন। গত ২৬ বছর ধরেই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন শাবনূর।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয় নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আংটিবদল করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। এর পর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তারা বিয়ে করেন।

সেই সংসারে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। এ সন্তানকে নিয়ে বছরের বেশিরভাগ সময় অস্ট্রেলিয়ায় কাটান এ চিত্রনায়িকা। দেশটির নাগরিকত্বও পেয়েছেন বলে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।