Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

চলে গেলেন কিংবদন্তি মার্কিন সংগীতশিল্পী হ্যারি বেলাফন্টে

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৩, ১০:০৫ এএম

চলে গেলেন কিংবদন্তি মার্কিন সংগীতশিল্পী হ্যারি বেলাফন্টে

Advertisement

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী হ্যারি বেলাফন্টে মারা গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনে আপার ওয়েস্ট সাইডে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

তার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছেন তার মুখপাত্র কেন সানশাইন। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।  খবর বিবিসির।

তার গাওয়া জামাইকান ফেয়ারওয়েল সাদা, কালো, বাদামি, হলুদ- দুনিয়ার সব বর্ণের, সব ধর্মের মানুষের মুখে মুখে ফেরে আজও। শুধু কী জামাইকান ফেয়ারওয়েল? হ্যারি বেলাফন্টের গাওয়া অন্যান্য গানও দশকের পর দশক গোটা পৃথিবীকে মাতিয়ে রেখেছে। এই কিংবদন্তির গান বাংলায়ও অনূদিত হয়েছে।

হ্যারি বেলাফন্টে শুধু গায়ক হিসেবে নিজের পরিচয়কে সীমাবদ্ধ করেননি। আমেরিকায় সামাজিক আন্দোলনেও অন্যতম নাম হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। কালো মানুষদের অধিকারের জন্য যেমন তিনি লড়াই করেছেন, তেমনি এইডসের মতো রোগের বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছেন জীবনভর।

অভিনয়েও পা বাড়িয়েছিলেন বেলাফন্টে। যদিও সংগীতশিল্পী হিসেবেই সারা বিশ্বে বেশি সমৃদ্ধ। ১৯২৭ সালে নিউইয়র্ক শহরে জন্ম বেলাফন্টের। তবে শৈশবের আটটি বছর জ্যামাইকায় কেটেছে এই কিংবদন্তির। পরে নিউইয়র্কে ফিরলেও ডায়ালেক্সিয়ার সমস্যায় হাই স্কুলের পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। পেটের তাগিদে করেছেন নানা বিচিত্র কাজ।

১৭ বছর বয়সে যোগ দেন মার্কিন নৌ সেনায়। সেই সময় গোটা বিশ্ব ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াল থাবায়। যুদ্ধশেষে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন বেলাফন্টে। সেই প্রথম অভিনয়ের ক্লাসে ভর্তি হন তিনি। সেই সঙ্গে হাতে তুলেন গিটার। লোকগীতি থেকে পপ, জ্যাজ গেয়ে উপার্জন শুরু করলেন নিউ ইয়র্কের ক্লাবগুলোতে। ক্রমে গানই হয়ে উঠে তার পরিচয়। 

১৯৫৪ সালে প্রকাশ পায় প্রথম অ্যালবাম। এরপর দ্বিতীয় অ্যালবামেই দেখেন খ্যাতির মুখ। তবে ইতিহাস গড়ে তৃতীয় অ্যালবাম। ‘ক্যালিপসো’ নামের সেই অ্যালবামে জামাইকান ঐতিহ্যের ছোঁয়া মার্কিনিদের অভিভূত করে। আমেরিকায় সেটাই প্রথম অ্যালবাম, যেটা ১০ লাখেরও বেশি বিক্রি হয়েছিল।

Advertisement

হ্যারি বেলাফন্টে মৃত্যু

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম