Logo
Logo
×
   

Advertisement

অন্যান্য

চারদিন ধরে জ্ঞান ফেরেনি অভিনেত্রীর

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৪, ০১:৩২ এএম

চারদিন ধরে জ্ঞান ফেরেনি অভিনেত্রীর

Advertisement

বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন ২৮ বছর বয়সী দক্ষিণী অভিনেত্রী অরুন্ধতী নায়ার। গত ১৪ মার্চ একটি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি।

এরপর তাকে কেরালার অনন্থপুরী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন অরুন্ধতী। গত চারদিন ধরে জ্ঞান ফেরেনি অভিনেত্রীর।

এ বিষয়ে অরুন্ধতীর কাছের বন্ধু রেমিয়া জোসেফ বলেন, ‘অরুন্ধতী পাঁচটি তামিল সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছে। গতকালের আগের দিন পর্যন্ত গুরুতর আহত অরুন্ধতীকে ব্রেন ডেড মনে করছেন চিকিৎসকরা। তবুও ইন্ডাস্ট্রির কেউ আসেননি। জানি কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, তবুও কেউ যদি আসতেন কিংবা ফোনে খোঁজ নিতেন, তাহলে ভালো লাগতো। আর্থিক সাহায্যের কথা না হয় বাদই দিলাম।

অরুন্ধতীর বোন আরথি পিটিআইকে বলেছেন, ‘পরিবার ও বন্ধুরা যখন ফান্ড রাইজিং ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন আহত অভিনেত্রীর জন্য, অনেক মানুষই বিষয়টি নিয়ে হাসিঠাট্টা করা শুরু করেছেন। অনেকেই মনে করছেন এটি স্ক্যাম। এরকম নেতিবাচক আচরণ সহ্য করতে হচ্ছে আমাদের এই বিপদের সময়।’

রেমিয়া বলেন, ‘অরুন্ধতীর পরিবার আর্থিকভাবে সচ্ছল নয়। হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে তাদের আর্থিক সহায়তা দরকার। তার কিছু বন্ধু সাহায্য করেছেন, তখন আরও অর্থের প্রয়োজন। এমন তো নয় যে আমরা কোটি টাকা কামাই করি।’

গতকালের আগের দিন পর্যন্ত ব্রেন থেকে কোনো সিগন্যাল পাওয়া না গেলেও গতকাল বাম কর্নিয়া সামান্য নড়েছে। তাই চিকিৎসকরা আশাবাদী বলে জানিয়েছেন আরথি। চিকিৎসকরা এখন ব্রেন সার্জারির প্রস্তুতি নিচ্ছেন যা ব্যয়বহুল।

এদিকে অভিনেত্রী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন অরুন্ধতী ভক্তরা। সকলে তার সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনা করছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জনপ্রিয় তামিল সিনেমা ‘পোঙ্গি এজহু মনোহরা’ দিয়ে অভিনয়ে পা রাখেন অরুন্ধতী। ২০১৮ সালে মুক্তি পায় বিজয় অ্যান্টোনির ‘শয়তান’। এই সিনেমা থেকে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে ‘আইয়িরাম পোরকাসুখুল’ সিনেমাতে শেষবার তাকে দেখা গেছে।

Advertisement

বাইক দুর্ঘটনা হাসপাতাল

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম