Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

রণবীরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতেই টানা তিন দিন কাঁদতে থাকেন তৃপ্তি, কেন?

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০০ পিএম

রণবীরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতেই টানা তিন দিন কাঁদতে থাকেন তৃপ্তি, কেন?

ছবি : সংগৃহীত

Advertisement

বলিউড অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি অভিনেতা রণবীর কাপুরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করায় রীতিমতো হইচই পড়ে যায়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন এ অভিনেত্রী। টানা তিন দিন ধরে রীতিমতো কান্নাকাটি করেন তৃপ্তি দিমরি।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন বলছে, ‘অ্যানিমেল’ ছবির হিংস্রতা হইচই ফেলেছে। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে ছবির অভিনেতা রণবীর কাপুর, খলঅভিনেতা ববি দেওল থেকে পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গাকে। ছবির হিংস্রতা ছাড়াও আরও একটি বিষয় নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। অভিনেতা রণবীর কাপুরের সঙ্গে তৃপ্তি দিমরির ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। 

এ বিষয়ে অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি বলেন, ‘অ্যানিমেল’ ছবিতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের সময় মাত্র চারজন সেটে উপস্থিত ছিলেন। তারা ক্রমাগত সাহস জুগিয়েছেন তাকে। ছবি মুক্তির পর রণবীরের সঙ্গে তার শয্যা দৃশ্য নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যায়। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এ নিয়ে টানা তিন দিন ধরে রীতিমতো কান্নাকাটি করেন বলে জানান তৃপ্তি দিমরি।

আসলে এ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি প্রচারের আলোয় চলে আসেন অভিনেত্রী। তবে সাফল্য সামলানো যে সহজ নয়, তা ভালোই টের পেয়েছিলেন তৃপ্তি। ক্রমাগত সমালোচনায় ভেঙে পড়েন তিনি। তৃপ্তি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘অ্যানিমেল মুক্তির পর টানা তিন দিন কেঁদেছি। আমি মোটেও এসবে অভ্যস্ত ছিলাম না। কখনই ভাবিনি যে এমন সমালোচনার মুখোমুখি হতে হবে। লোকে খুবই খারাপ কথা বলতে শুরু করলেন। 

তিনি বলেন, এ বিষয়ে যখন আমি আমার বোনের সঙ্গে কথা বলি, ও পরামর্শ দেয়— এগুলোকে গ্রহণ করতে হবে। তৃপ্তি বলেন, আমি সংবেদনশীল মানুষ, কারও সঙ্গে ঝগড়া হলে নিজের খোলসের ভেতর ঢুকে পড়ি। তাই আমি ভীষণ আহত হয়েছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কীভাবে কাজে মন দেব। 

যদিও তৃপ্তি এও জানান, সবার নজরে আসায় বেশি বেশি কাজের প্রস্তাব আসতে শুরু করেছে এবং তা তিনি উপভোগ করেছেন। পাশপাশি এ-ও বলেন, ‘অ্যানিমেল’-এর তুলনায় ‘বুলবুল’ ছবিতে ধর্ষণের দৃ্শ্যে অভিনয় করাটা অনেক বেশি কঠিন ছিল।

Advertisement

বলিউড তৃপ্তি দিমরি রণবীর কাপুর

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম