Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

ফেসবুকে পোস্টের পর মারা গেলেন মিঠুনের প্রথম স্ত্রী

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:৫৬ পিএম

ফেসবুকে পোস্টের পর মারা গেলেন মিঠুনের প্রথম স্ত্রী

Advertisement

ভারতের খ্যাতিমান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর প্রথম স্ত্রী হেলেনা হিউকের মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রে তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। 

সামাজিক মাধ্যমে হেলেনার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন ভারতীয় নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী কল্পনা আইয়ার।জানা গেছে, এক অজানা অসুখে ভুগছিলেন তিনি; সে অসুস্থতা থেকে হেলেনার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালে অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে ‘মর্দ’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেসময় একের পর হিট সিনেমা উপহার দিচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তীর। তাকে ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলেন হেলেনা। তবে সেই সংসার মাত্র চার মাসের মাথায় ভেঙে গিয়েছিল।

হেলেনা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও তার ক্যারিয়ার শুরু বলিউডেই। মৃত্যুর আগে রোববার সকাল সাড়ে ৯ টায় ফেসবুকে তার শেষ পোস্ট। যেখানে লেখা, ‘অদ্ভুত লাগছে। মিশ্র আবেগ। কেন এরকম হচ্ছে, কোনো ধারণাই নেই’। 

তারপরই খবরে আসে হেলেনা শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অভিনেত্রী কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা জানা যায়নি এখনও।তার এই পোস্ট দেখে নেটিজেনদের মনে করছেন, হেলেনা কি তাহলে আগাম মৃত্যুকে অনুভব করতে পেরেছিলেন?

পরে বেশ কিছু রিপোর্ট সূত্রে জানা গেছে, হেলেনার শরীর ভাল ছিল না এবং তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ নেননি।

মিঠুনের সঙ্গে হেলেনার প্রেম সত্তরের দশকে। ১৯৭৯ সালে তাদের বিয়ে হয়। এক পুরোনো সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, প্রথম প্রথম সব কিছুই ঠিক ছিল। ক্রমশ সম্পর্ক বিষিয়ে উঠতে থাকে। বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় আলাদা হয়ে যান তারা। 

সেই সময় মুম্বাইয়ের একাধিক সংবাদমাধ্যমকে হেলেনা জানিয়েছিলেন, মিঠুনের সঙ্গে বিয়েটা দুঃস্বপ্ন ছিল! তিনি বিয়ের আগে অভিনেতাকে একভাবে চিনেছিলেন। এক ছাদের নীচে বসবাসের সময় তার ভিন্ন রূপ দেখেন, যা তার কাছে অত্যন্ত ভয়ংকর ছিল।

হেলেনার আগে মিঠুনের বিয়ের কথা পাকা হয়ে গিয়েছিল মমতা শঙ্করের সঙ্গে। তবে নানা কারণে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। এরপর চন্দ্রদয় ঘোষকে ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ে করেন মমতা শঙ্কর। আর তার এক বছর পর মিঠুন আর হেলেনা বিয়ে করেন।

Advertisement

মিঠুন চক্রবর্তী হেলেনা হিউক ফেসবুকে পোস্ট

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম