Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

আইনি বিচ্ছেদের পথে অনিন্দ্য-মধুজা

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৩৭ পিএম

আইনি বিচ্ছেদের পথে অনিন্দ্য-মধুজা

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

ভালোবাসা দিবস কাটতে না কাটতেই বিনোদন দুনিয়ায় ফের বিচ্ছেদের সুর। গত ১৮ আগস্ট সামাজিক মাধ্যমে তাদের ১৯ বছরের দাম্পত্যে ইতি টানার খবর শেয়ার করে নিয়েছিলেন শিল্পী ও লেখক মধুজা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধুজার আরও একটি পরিচয়, তিনি পরিচালক-গায়ক-অভিনেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী। সেই বিচ্ছেদে আইনি সিলমোহর পড়তে চলেছে বলে গুঞ্জন। জানা গেছে, আগামী সপ্তাহেই সম্ভবত আইনত বিচ্ছিন্ন হতে চলেছেন অনিন্দ্য-মধুজার। আর এ বিচ্ছেদের পর তারা দুজন মিলেমিশে একসঙ্গে সন্তান জুজুর দেখভাল করবেন।

গত আগস্টে কলকাতা উত্তাল হয়েছিল আরজি করকাণ্ডে। নির্যাতনে মৃত তরুণী চিকিৎসকের জন্য ন্যায়বিচার চেয়ে প্রতি দিন পথে নেমেছিলেন অধিকাংশ শহরবাসী। তখনই মধুজা এক রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের পঙ্ক্তি নিয়ে লিখেছিলেন—মিলনমালার আজ বাঁধন তো টুটবে ফাগুন দিনের আজ স্বপন তো ছুটবে, উধাও মনের আহা উধাও মনের পাখা মেলবি আয়। 

তিনি আরও লিখেছিলেন, গত ১৪ বছর ধরে ঘরে-বাইরে লড়তে লড়তে ক্লান্ত তিনি। তাই কলকাতা থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে ২০১৯-এ মুম্বাইয়ে পাড়ি দেন। সঙ্গী একমাত্র সন্তান জুজু। সেই দূরত্বই সম্ভবত দম্পতিকে তাদের প্রকৃত অবস্থান বুঝতে সহযোগিতা করেছে।

দাম্পত্য দূরত্বের মধ্যেই অনিন্দ্য-মধুজা তাদের সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে যান। সম্ভবত মিটমাটের ভাবনা থেকেই। কিন্তু সেই মিলন যে সাময়িক, সে কথা চিত্রশিল্পী ও লেখিকা নিজেই পরে জানান। 

মধুজা সামাজিক মাধ্যমে সরব হলেও অনিন্দ্য সেদিনও নীরব, আজও নীরব। এই বিচ্ছেদ তাদের যথেষ্ট ব্যথাতুর করেছে, এ কথা জানাতেও ভোলেননি মধুজা। তিনি লিখেছিলেন—অনিন্দ্য খুব কষ্ট পেয়েছে। পেয়েছি আমিও। আবার সত্যটা মেনে নিয়ে কোথাও একটা নির্ভারও হয়েছি। অনিন্দ্য আর আমি তাই আইনি পথে বিচ্ছেদে পা বাড়িয়েছি। বিচ্ছেদ বিয়ের হয়েছে! জুজুর বাবা-মায়ের হয়নি। দাম্পত্যের হয়েছে— বন্ধুত্বের হয়তো না। আজ সত্যিই তাই খেলা ভাঙার খেলা! 

Advertisement

মধুজা বন্দ্যোপাধ্যায়

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম