Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

পুণ্যস্নানে কী চাইলেন নিমরত?

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:১০ এএম

পুণ্যস্নানে কী চাইলেন নিমরত?

Advertisement

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আয়োজিত মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে ভিড় জমিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। ভক্তদের বিশ্বাস— মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করলেই পাপ ধুয়ে সাফ হবে, আর সেই বিশ্বাস নিয়েই প্রতিদিন ছুটছেন মানুষ। প্রয়াগরাজে ভিড় এখনো কমেনি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে হাজির হচ্ছেন বিনোদন জগতের তারকারাও। এবার মহাকুম্ভে পৌঁছে গেলেন অভিনেত্রী নিমরত কৌর। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন তিনি। ত্রিবেণি সঙ্গমে পুণ্যস্নান করলেন অভিনেত্রী।

সেই পুণ্যস্নানের বেশ কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন নিমরত কৌর। কুম্ভে পুণ্যস্নানের অভিজ্ঞতাও নাকি ভাষায় বর্ণনা করার ঊর্ধ্বে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

পরনে গেরুয়া বস্ত্র। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। এভাবেই ত্রিবেণি সঙ্গমে ডুব দেন নিমরত। অভিনেত্রীর শেয়ার করে নেওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে— ডুব দিতে দিতে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরের কাছে আশিস প্রার্থনা করছেন তিনি। নিমরত ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন—এই অভিজ্ঞতা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। এই মহাসমাগমে যোগ দিতে পেরে নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। 

তিনি বলেন, শিখ পরিবারে বড় হয়েছি আমি। তাই কুম্ভস্নান আমাদের কাছে সত্যিই একটা নতুন বিষয়। এই ঐতিহাসিক মহাকুম্ভ দেখে আমি এর নেপথ্যের ইতিহাস ও পুরাণে ডুব দিতে বাধ্য হয়েছি।

নানা বয়সের মানুষ মহাকুম্ভে যেভাবে যোগ দিচ্ছেন, তা দেখে অভিভূত নিমরত। পুলিশ প্রশাসনকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি লিখেছেন—এই বিরাট উৎসবকে সামাল দেওয়ার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। ২-৩ ঘণ্টা ঘুমিয়ে যেভাবে এই উৎসবের দেখাশোনা হচ্ছে, তা দেখার মতো। এই ধরনের জনসমাগমকে বাস্তবায়িত করার জন্য অতিমানবের মতো শক্তির প্রয়োজন পড়ে।

উল্লেখ্য, গত বছর অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিচ্ছেদের জল্পনায় নাম জড়িয়ে যায় অভিনেত্রী নিমরত কৌরের। অভিনেত্রীর নিমরতের জন্যই নাকি ভাঙতে বসেছে বচ্চন দম্পতির সম্পর্ক। তবে সেসব যে কেবল গুঞ্জন, তা সময়ই প্রমাণ করে দিয়েছে। অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া যে একসঙ্গেই দিব্যি আছেন, তা নিজেরাই স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

Advertisement

ঐশ্বরিয়া উত্তরপ্রদেশ

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম