Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজেকে বাথরুমে আটকে রাখেন হৃতিক

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৫, ০১:৩৩ পিএম

ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজেকে বাথরুমে আটকে রাখেন হৃতিক

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

বলিউডের ‘গ্রিক গড’ অভিনেতা হৃতিক রোশন। যার অভিনয় থেকে ব্যক্তিত্বে গত দুই দশক ধরে বুদ হয়ে রয়েছে আসমুদ্রহিমাচল ভারত। যেখানে স্বয়ং পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন এক সাক্ষাৎকারে এ অভিনেতা সম্পর্কে জানিয়েছিলেন— তিনি হৃতিকের নাচের ভক্ত। তবে লাখো ভক্তের হৃদয়ের মধ্যমনি হৃতিক রোশনই সামান্য এক কারণে নিজেকে বাথরুমে বন্দি করে রেখেছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর সেই কারণও জানিয়েছেন তার বাবা রাকেশ রোশন।

হৃতিক রোশনের ছোটবেলা থেকেই কথা জড়িয়ে যেত। সহজভাবে বললে, তোতলামোর সমস্যায় ভুগতেন অভিনেতা। নিজের চেষ্টায় তিনি তা কাটিয়ে উঠেছেন। কিন্তু সেই সমস্যা হৃতিককে কতটা ভুগিয়েছে, সে রকম অজানা একটি ঘটনার কথা জানালেন হৃতিকের বাবা তথা পরিচালক-প্রযোজক রাকেশ রোশন। 

এক সাক্ষাৎকারে রাকেশ বলেন, হৃতিককে দেখে আমার খুব কষ্ট হতো।  পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল। তার ওপর ও বরাবরই ভদ্র। আর খুব বুদ্ধিমান। কিন্তু এই তোতলামোর সমস্যার জন্য ও নিজেকে আটকে রাখত ঘরে। আমার স্পষ্ট মনে আছে— হৃতিক একবার দুবাইয়ে ছিল। সেখানে এক অনুষ্ঠানে হলভর্তি দর্শকের সামনে ওকে বলতে হতো – ‘ধন্যবাদ দুবাই।’ কিন্তু সেটুকু বলতে ওর ভারি সমস্যা হচ্ছিল। ঠিক করে ওই বাকি লাইনটুকুই বলতে পারছিল না। তার জন্য নিজেকে ও দুই ঘণ্টা ধরে বাথরুমে বন্ধ রেখেছিল। বারবার আউড়ে যাচ্ছিল ওই বাক্যটুকু, যাতে ও দর্শকের সামনে ঠিকভাবে বলতে পারে।

রাকেশ বলেন, তোতলামোর সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রতিদিন সকালে উঠে হৃতিক এক ঘণ্টা সংবাদপত্র পড়ত জোরে জোরে। ইংরেজি, হিন্দি ও উর্দু ভাষার। এভাবেই খুব জেদে নিজের সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠিয়েছিল। গত ১২-১৪ বছর ধরে হৃতিক আর এ সমস্যার সম্মুখীন হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালে রাকেশ রোশনের পরিচালনায় রোমান্টিক-থ্রিলার 'কাহো না প্যায়ার হ্যায়'তে  হৃতিকের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল আমিশা প্যাটেলকে। এ ছবির মাধ্যমে বলিপাড়ায় যাত্রা শুরু করেছিলেন আমিশা। হৃতিক-আমিশার পাশাপাশি এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেন অনুপম খের, সতীশ শাহ, দলীপ তাহিল, আশিষ বিদ্যার্থী, ফরিদা জালালের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রী প্রমুখ।

Advertisement

হৃতিক রোশন

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম