Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

‘পরেশ রাওয়ালের সিনেমা ছেড়ে যাওয়ার খবর পাই আথিয়ার কাছ থেকে’

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৫, ০৬:৫৯ পিএম

‘পরেশ রাওয়ালের সিনেমা ছেড়ে যাওয়ার খবর পাই আথিয়ার কাছ থেকে’

ফাইল ছবি

Advertisement

২০০০ সালে প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘হেরা ফেরি’ বক্স অফিসে তুমুল সাফল্য পায়। ২০০৬ সালে আসে ‘ফির হেরা ফেরি’। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯ বছর পর এবার তৈরি হচ্ছে তৃতীয় পর্ব। এর মধ্যেই সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছে। তবে নির্মাতাদের তরফে এখন পর্যন্ত সিনেমা, গল্প কিংবা কাস্টিং নিয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি। কিন্তু এ সিনেমায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা পরেশ রাওয়াল; বাবু ভাইয়া আর তৃতীয় কিস্তিতে থাকছেন না। এ নিয়ে চলছে বলিপাড়ায় বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা। 

এর মধ্যে জানা গেল বাবু ভাইয়ার বিরুদ্ধে সিনেমার ক্ষতিপূরণ বাবদ ২৫ কোটি টাকার আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন আরেক অভিনেতা ও এ সিনেমার সহপ্রযোজক অক্ষয় কুমার। এ বিষয়ে আরেক বর্ষীয়ান অভিনেতা সুনীল শেঠি বললেন ভিন্নকথা।  

 ‘হেরা ফেরি থ্রি’-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। এ সিনেমা থেকে পরেশ রাওয়ালের আচমকা প্রস্থানের খবরে যারপরনাই বিস্মিত বর্ষীয়ান অভিনেতা সুনীল শেঠি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এ সিনেমার বাবুরাও ছাড়া একেবারেই ভাবা যায় না।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সুনীল শেঠি বলেন, ‘হেরা ফেরি পরেশজি ছাড়া হতে পারে না। একশ ভাগ অসম্ভব! আমার না হয় এক শতাংশ সম্ভাবনা আছে না থাকার বা অক্ষয় কুমার না থাকলেও হয়তো এক শতাংশ চলতে পারে, কিন্তু পরেশজি না থাকলে একশ শতাংশ অসম্ভব।

সুনীল শেঠি আরও বলেন, হেরা ফেরি সিরিজের প্রাণশক্তি আসলে রাজু-শ্যাম-বাবুরাও—এই ত্রয়ীর কেমিস্ট্রি। আর এই বন্ধন গড়ে উঠেছিল বাবুরাওয়ের হাত ধরেই।  অভিনেতা বলেন, বাবুরাও-ই তো আমাদের দুজনকে ভাড়া দিয়েছিলেন। সেই থেকে শুরু। তাকে ছাড়া রাজু-শ্যামের রসায়নই ভেস্তে যাবে। 

তিনি বলেন, পরেশ রাওয়ালের সিনেমা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার খবরটি প্রথম পান তার সন্তান—আথিয়া ও আহান শেঠির কাছ থেকে। তখন তিনি ‘কেরি বীর’ সিনেমার প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ওরা দুজনেই আমাকে একসঙ্গে খবরটা পাঠাল। আর সঙ্গে একটা প্রশ্ন—‘বাবা, এটা কী?’ আমি চমকে উঠেছিলাম, বলেন সুনীল শেঠি।

সুনীল শেঠি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এ পরেশ রাওয়ালের সঙ্গে কাজ করছেন। সেই সিনেমায় অক্ষয়ও আছেন। তাই সহ-অভিনেতার এমন হঠাৎ সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি ভীষণ বিস্মিত হন। 

তিনি বলেন, আমি নিজেও হের ফেরির তিন নম্বর সিনেমার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। আবার সেই পুরোনো ত্রয়ীকে একসঙ্গে পর্দায় দেখতে চেয়েছিলাম। তার চলে যাওয়ার পেছনে আসলে কী ঘটেছে, সেটি জানার জন্য আমি পরেশজির সঙ্গে যোগাযোগ করব।

পরিচালক প্রিয়দর্শনের বক্তব্যের সঙ্গেও একমত সুনীল শেঠি। তিনি মনে করছেন, এই জট খুলবে একমাত্র তখনই, যখন বাবুরাও আবার ফিরে আসবেন। বাবু ভাইয়া না থাকলে ছবিই নয়—এটাই হেরা ফেরি ভক্তদের শেষ কথা।

এখন প্রশ্ন উঠছে— কে হবেন বাবু ভাইয়া? আদৌ কি কারও পক্ষে সম্ভব সেই ছায়ামূর্তিকে পূর্ণতা দেওয়ার? অনেক ভক্ত-অনুরাগী চেয়েছেন, মতভেদের বরফ গলে যাক। ফ্র্যাঞ্চাইজি ফিরে পাক তার মূল তিন মুখকেই।

Advertisement

পরেশ রাওয়াল সিনেমা সুনীল

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম