Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিনোদন

কাপুর পরিবারের উত্তরাধিকার শুধু রণবীর নয়, আমরাও— কারিনার মন্তব্যে আলোড়ন

Advertisement

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৫, ১০:২৯ পিএম

কাপুর পরিবারের উত্তরাধিকার শুধু রণবীর নয়, আমরাও— কারিনার মন্তব্যে আলোড়ন

রণবীর কাপুর, কারিশমা কাপুর ও কারিনা কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

বলিউডের প্রভাবশালী কাপুর পরিবারকে ঘিরে বহুদিন ধরেই চলে আসছে ‘চিরাগ-ই-কাপুর’ বা পরিবারের পতাকাবাহী হিসেবে রণবীর কাপুরের নাম। তবে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে কারিনা কাপুর খানের মন্তব্য বদলে দিয়েছে এই একক ধারণা। কারিনার মতে, কাপুর পরিবারের গৌরব ধরে রাখার ক্ষেত্রে তিনি এবং তার বোন কারিশমা কাপুরও সমানভাবে অবদান রেখেছেন।

কারিনা বলেন, আমি আর কারিশমাই কাপুর পরিবারের উত্তরাধিকার বহন করেছি। রণবীর তো অনেক পরের। মা সব সময় বলেন, ‘ওরা বাঘিনী নয়, ওরা বাঘ! কারণ ওরাই কাপুরদের নাম টিকিয়ে রেখেছে।

কারিনার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই তার এই বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন নেটিজেন লেখেন, কারিশমা হেঁটেছিলেন বলেই কারিনা আর রণবীর দৌড়াতে পেরেছেন। আরেকজন মন্তব্য করেন, রণবীরের জন্য ইন্ডাস্ট্রির দরজা খোলা ছিল, কিন্তু কারিশমাকে লড়াই করে সেই জায়গা ছিনিয়ে নিতে হয়েছে।

কারিনা যেখানে বলিউডে ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন, রণবীর সেখানে ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন ১৮ বছর ধরে। কিন্তু তারও বহু আগে, ৩৪ বছর আগে বলিউডে পা রেখেছিলেন কারিশমা কাপুর। পুরুষশাসিত কাপুর পরিবারে তিনিই প্রথম নারী, যিনি রূপালী পর্দায় পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছিলেন। ‘রাজা হিন্দুস্তানি’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘জুড়ওয়া’র মতো ব্লকবাস্টার ছবিতে অভিনয় করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ফ্যাশন আইকন ও গ্ল্যামার ডিভা।

সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মনে করিয়ে দিয়েছেন, ছোটবেলায় কারিনাকে মানুষ চিনতো ‘কারিশমার বোন’ হিসেবেই। সে কারিশমাই পথ তৈরি করেছিলেন নিজের বোন আর ভাইয়ের জন্য।

যেখানে রণবীর প্রতিভাবান হয়েও একটি সুগম পথ পেয়েছিলেন, সেখানে কারিশমা আর কারিনা নিজেদের পরিচয় এবং অবস্থান গড়ে তুলেছিলেন নিজের যোগ্যতায় ও সংগ্রামে।

কারিনার এই মন্তব্য যে নিছক কোনও আত্মপ্রচার নয়, বরং কাপুর পরিবারের নারীদের আত্মপ্রতিষ্ঠার বাস্তব গল্প—তা এখন অনেকেই স্বীকার করে নিচ্ছেন।

Advertisement

বলিউড

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম