কপিলের ক্যাফেতে গুলি, অমিত শাহর দারস্থ সিনে ওয়ার্কার্স
Advertisement
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৫, ০২:৪৭ পিএম
কপিল শর্মার কানাডা ক্যাফেতে দ্বিতীয়বারের মতো হামলা, পুলিশ গুলিবর্ষণের ঘটনা তদন্ত করছে। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কানাডায় ব্যবসা করার লক্ষ্যে একটি ক্যাফে চালু করেছিলেন ভারতীয় কমেডি শো অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও কৌতুকশিল্পী কপিল শর্মা। সেই ক্যাফে উদ্বোধনের এক সপ্তাহের মধ্যেই আসতে শুরু করে হুমকি-ধমকি। এরপর গত ৯ জুলাই রাত ১টার দিকে প্রথমবার ক্যাফেতে গুলি চালানো হয়। এর এক মাসও পার হয়নি, আবার এরই মধ্যে হামলা।
গত বৃহস্পতিবার
(৭ আগস্ট)
রাতে কপিলের
সেই রেস্তোরাঁয়
দ্বিতীয়বারের মতো
গুলিবর্ষণ হয়।
ভারতীয় গণমাধ্যমের
দাবি, সেদিন
অন্তত ২৫
রাউন্ড গুলি
চালানো হয়েছিল,
যদিও কোনো
হতাহতের খবর
পাওয়া যায়নি।
১৯৯৮ সালে
রাজস্থানে কৃষ্ণসার
হরিণ হত্যাকাণ্ডে
নাম জড়ায়
ভাইজানের। এরপরই
বিষ্ণোই গ্যাংয়ের
নিশানায় পড়েন
সালমান খান।
সেই বিষ্ণোই
গ্যাংয়ের সঙ্গে
সালমানের শত্রুতা
কারোই অজানা
নয়। পরবর্তী
সময়ে ভাইজানের
সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার
কারণে ভারতের
প্রবীণ রাজনীতিবিদ
ও সাবেক
প্রতিমন্ত্রী বাবা
সিদ্দিকীকে হত্যা
করেছে বিষ্ণোই
গ্যাং। সেই
থেকে লাগাতার
হুমকি-ধমকি
বিষ্ণোই গ্যাংদের।
এবার নিজের
কমেডি শোতে
সালমান খানকে
আমন্ত্রণ করে
বিষ্ণোই গ্যাংয়ের
নিশানায় পড়েন
সঞ্চালক কপিল
শর্মা। এ
নিয়ে এক
মাসে দুবার
কৌতুকশিল্পীর কানাডার
ক্যাফেতে হামলা
চালাল গ্যাংস্টাররা। এর
মধ্যেই এক
বিস্ফোরক অডিও
ক্লিপে এ
হামলার দায়
স্বীকার করে
নিয়েছে গ্যাংস্টার
গোল্ডি ধিঁলো।
যিনি লরেন্স
বিষ্ণোই গ্যাংয়ের
অন্যতম সদস্য।
সেই অডিওবার্তাতেই বিষ্ণোইদের
পক্ষ থেকে
সাফ জানানো
হয়েছে— সালমান
খানের সঙ্গে
ঘনিষ্ঠতার জেরেই
কপিল শর্মার
ক্যাফেতে গোলাগুলি
হয়েছে। ভবিষ্যতে
কেউ সালমানের
সঙ্গে কাজ
করলে তাকেও
চরম পরিণতি
ভুগতে হবে।
এবার সোজা
বুকে গুলি
চলবে।
এদিকে সালমানের
জীবন নিয়ে
শঙ্কা ও
একের পর
এক তারকার
ওপর হামলা,
তারকাদের গতিবিধি
নিয়ন্ত্রণ করার
চেষ্টা এবং
হুমকি-ধমকি
নিয়ে ক্ষিপ্ত
বলিউড সিনেমা
ইন্ডাস্ট্রির একাংশ।
তাদের নিরাপত্তা
চেয়ে এবার
বড় পদক্ষেপ
নিল ইন্ডিয়া
সিনে ওয়ার্কার্স
অ্যাসোসিয়েশন।
তাদের দাবি, সালমান খান, বাবা সিদ্দিকী, সাইফ আলি খানের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে নানা কিছুর। তাই পরবর্তী লক্ষ্য কে হতে পারে, তা নিয়ে সবাই আতঙ্কে। সংগঠনটি এ নিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে বিশেষভাবে আবেদন করেছে। তিনি যেন কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে ভারতীয় তারকাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন— তারও অনুরোধ করা হয়। তাদের মতে, এ ঘটনা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির হাজার হাজার মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলছে।
