Logo
Logo
×

Advertisement

পরবাস

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত লিমনের জানাজা অনুষ্ঠিত

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ০৮:০৯ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত লিমনের জানাজা অনুষ্ঠিত

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পা শহরে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ফ্লোরিডার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহামেদ লিমনের জানাজার নামাজ গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাদ যোহর টাম্পার ইস্তাবা ইসলামিক সোসাইটি অফ টাম্পা বে এরিয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী, নিহত জামিলের খালা, মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল, গণমাধ্যমসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতারের পর তদন্তের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছেন আদালত। তারা ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

ফ্লোরিডার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টাম্পা বে টোয়েন্টিএইটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিমন ও বৃষ্টিকে হত্যার পর কীভাবে লিমনের লাশ পলিথিনের ট্র্যাশ ব্যাগে ভরে ফেলে আসা হয়েছে তার বিবরণ উঠে এসেছে আদালতের নথিতে।

এদিকে বৃষ্টির সন্ধানে তল্লাশি চলাকালে হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস স্থানীয় একটি জলাশয় থেকে মানুষের লাশ উদ্ধার করেছে। তবে তা বৃষ্টির কিনা, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। পিনেলাস কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনার অফিস লাশটির শনাক্তের কাজ করছে।

এ জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেফতার লিমনের রুমমেট ২৬ বছর বয়সি মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুগারবিয়েহর বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির পরিকল্পিত খুনের দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, তার বাসার ভেতরেই দুজনকে হত্যা করা হয়। পরে শুক্রবার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি, জিজ্ঞাসাবাদ, সাক্ষ্য ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেখা যায়, হিশাম আবুগারবিয়েহ ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টিকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন ক্লিনিং সরঞ্জাম দিয়ে ঘটনাস্থল পরিষ্কার করেন এবং আগে থেকে কিনে রাখা বড় কালো আবর্জনা ফেলার পলি ব্যাগে লিমনের মরদেহ ভরে ফেলেন। পরে মরদেহটি ব্রিজের উত্তর পাশে ফেলে আসা হয়।

গোয়েন্দারা যখন কালো রঙের ওই ভারি আবর্জনা ফেলার ব্যাগ খুঁজে পান, তখন সেখান থেকে পচা গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।

আদালতের নথিতে বলা হয়, আবুগারবিয়েহ নিহত দুজনের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ট্র্যাশ কম্প্যাক্টরে (আবর্জনা বা বর্জ্যকে সংকুচিত করে ফেলার বৈদ্যুতিক যন্ত্র) ফেলে দেন। সেখানে যে রক্তের নমুন পাওয়া গেছে, তাতে বৃষ্টি ও লিমন দুজনের উপস্থিতির বিষয়েই নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারীরা।

লোকেশন ট্র্যাক করে লিমন ও বৃষ্টির মোবাইল ফোনের কাছাকাছি এবং লিমনের মরদেহ ফেলে আসার স্থানে হিশামের ফোনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি ওই ফোনের মাধ্যমেই তিনি অনলাইনে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম কিনেছেন এবং লাশ গুম করার উপায় নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ায় ২২তম মিহাস ফেয়ারে বাংলাদেশের হালাল হাট

মালয়েশিয়ায় ২২তম মিহাস ফেয়ারে বাংলাদেশের হালাল হাট

মালয়েশিয়ায় ২২তম মিহাস ফেয়ারে বাংলাদেশের হালাল হাট

মালয়েশিয়ায় ২২তম মিহাস ফেয়ারে বাংলাদেশের হালাল হাট

সৌদি আরবে ঘুমের মধ্যে প্রবাসীর মৃত্যু

সৌদি আরবে ঘুমের মধ্যে প্রবাসীর মৃত্যু

জামায়াতের ৩৪ এমপির মালয়েশিয়া মিশন ‘শিক্ষামূলক সফরে’ সংস্কার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে বৈঠক

‘শিক্ষামূলক সফরে’ সংস্কার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে বৈঠক

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম