কানাডার ‘বিচেস—ইস্ট ইয়র্কে ভোট’ জরিপে এগিয়ে তানভীর শাহনেওয়াজ
Advertisement
দীন ইসলাম, টরন্টো (কানাডা) থেকে
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
তানভীর শাহনেওয়াজ। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কানাডার টরন্টোর বিচেস—ইস্ট ইয়র্ক আসনের বহুল আলোচিত ফেডারেল উপনির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি অব কানাডার প্রার্থী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তানভীর শাহনেওয়াজ। নির্বাচন-পূর্ব বিভিন্ন জরিপ ও পূর্বাভাসে তার শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত মিলেছে।
সেই পূর্বাভাস সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হলে কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে বাংলাদেশি কমিউনিটি পেতে যাচ্ছে দ্বিতীয় একজন এমপি।
কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হিসেবে রয়েছেন ডলি বেগম। ফলে বিচেস—ইস্ট ইয়র্কের এই উপনির্বাচন ঘিরে টরন্টোসহ কানাডাজুড়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের নজর এখন এই আসনের দিকে।
নেপথ্য থেকে এবার ভোটের ময়দানে
তানভীর শাহনেওয়াজের জন্য বিচেস—ইস্ট ইয়র্ক অপরিচিত রাজনৈতিক মাঠ নয়। এই আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক মন্ত্রী নেট আর্সকিন-স্মিথের অফিস ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
দীর্ঘদিন নির্বাচনি এলাকার মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুবাদে স্থানীয় সমস্যা, নাগরিকদের প্রত্যাশা এবং এলাকার রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে তার সরাসরি পরিচয় তৈরি হয়েছে। এতদিন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কার্যালয়ে থেকে মানুষের জন্য কাজ করেছেন। এবার নিজেই জনপ্রতিনিধি হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন।
প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও পাঁচ প্রার্থী
নির্বাচনি লড়াইয়ে তানভীরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টি অব কানাডার জিম সারবোস এবং নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির শ্যানন ডিভাইন। ডিভাইন পরিচিত শ্রমিক অধিকারকর্মী হিসেবে।
গ্রিন পার্টি অব কানাডার হয়ে লড়ছেন সাবেক সাংবাদিক ব্রুস লিভসি। পিপলস পার্টি অব কানাডার প্রার্থী মিশেল লাচান্স এবং কানাডিয়ান ফিউচার পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্যামেরন থমাস।
জরিপে স্বস্তি, তবু শেষ কথা ভোটারদের
ভোটের আগে বিভিন্ন জরিপ ও নির্বাচনি পূর্বাভাস তানভীর শিবিরে আশাবাদ তৈরি করেছে। বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও প্রত্যাশার পারদ চড়ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে কমিউনিটির আড্ডা, আলোচনা ও রাজনৈতিক মহল—সবখানেই এখন এক প্রশ্ন, বিচেস—ইস্ট ইয়র্ক কি আজ কানাডার পার্লামেন্টে আরেকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি পাঠাতে যাচ্ছে?
তানভীর শাহনেওয়াজ জয়ী হলে তার রাজনৈতিক গুরুত্ব একটি আসনের ফলাফলের চেয়েও বড় হবে। কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের প্রতিনিধিত্ব আরও বিস্তৃত হবে।
একই সঙ্গে বড় একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশি-কানাডিয়ানদের গ্রহণযোগ্যতা এবং নেতৃত্বের সুযোগ বাড়ার বিষয়টিও সামনে আসবে।

