Logo
Logo
×

সরকার

‘হ্যাঁ’ যেহেতু জয়যুক্ত হয়েছে, অটোমেটিক কার্যকারিতা শুরু হয়ে যাবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

Icon

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম

‘হ্যাঁ’ যেহেতু জয়যুক্ত হয়েছে, অটোমেটিক কার্যকারিতা শুরু হয়ে যাবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

বক্তব্য রাখছেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: যুগান্তর

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, একমাসের মাথায় আমরা আপনাদের মুখোমুখি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন, ১৭ ফেব্রুয়ারি আমাদের শপথ হয়েছে। আজ ১৯ মার্চ এক মাস পার হয়েছে। এই একমাসে সরকার দেশের জন্য, দেশবাসীর পাশে কিভাবে দাঁড়িয়েছে তা ব্যাখ্যা করে আপনাদের সামনে বলার প্রয়োজন নেই। আপনারা খুবই সচেতন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সবকিছুই দৃশ্যমান৷ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কাজগুলোও খুবই দৃশ্যমান৷ 

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় আন্দোলন করতে গিয়ে গুম-খুনের শিকার নেতাকর্মীদের সম্মানে লক্ষ্মীপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ্যানি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। 

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচন করেছি, এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছি। জুলাই সনদ পাশ করার মাধ্যমে আমাদের শপথ নিতে হবে এ ধরনের আলোচনা কখনো ছিল না এবং নাইও। কিন্তু ‘হ্যাঁ’ যেহেতু জয়যুক্ত হয়েছে, বিজয় হয়েছে, অটোমেটিক পার্লামেন্টে এই বিলটা উত্থাপনের মধ্য দিয়ে ‘হ্যাঁ’ কার্যকারিতা শুরু হয়ে যাবে। তার মানে সংবিধানের মধ্যে এটা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। 

তিনি বলেন, যেখানে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেটা নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা হওয়ার পর সেটা কখনো নেগেটিভ হবে কখনো পজিটিভ হবে। 

এ্যানি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’, অনেকেই মনে করেছেন নির্বাচনের জন্য আমরা বলেছি। রাজনৈতিক কারণে আমাদের প্রতিপক্ষ বলেছে, ফ্যামিলি কার্ড তারা দেবেন না, দিতে পারবেন না, দেওয়ার সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে তারেক রহমান পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে তা দৃশ্যমান করে দিয়েছেন। আগামী মাসে ‘কৃষক কার্ড’আসছে। 

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা জিনিস প্রধানমন্ত্রী অ্যাড্রেস করছেন, রাষ্ট্রের কোথায় কখন কি দরকার। তিনি ছুটির দিনে ক্যাবিনেট মিটিং করছেন, অফিস করছেন। এই জিনিসগুলো যদি ৫ বছর অব্যাহত রাখতে পারি, তাহলে এই সুবিধা দেশবাসীই পাবে।

মন্ত্রী বলেন, পার্লামেন্টে যখন আমরা সরকারি দল বসি। আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে পাশেই বিরোধী দল বসে। তারা যেন ভালো কাজগুলো অ্যাড্রেস করেন। আমরা যে শতভাগ ভালো কাজগুলো করতে পারবো, তাও তো না। ভুল ধরিয়ে দেন। জামায়াতের আমির আমাদের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। 

এতে বিশেষ ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক শাহাবুদ্দিন শাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্যাহ ও জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মো. এমরান প্রমুখ।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম