Logo
Logo
×
   

সরকার

রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ শিল্প কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল

Icon

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৫ পিএম

রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ শিল্প কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল

মির্জাপুরে ‘টাঙ্গাইল কটন মিল’ কারখানাটি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। ছবি: যুগান্তর

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ শিল্প কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বন্ধ হওয়া টাঙ্গাইল কটন মিল কারখানাটি এক সময় মির্জাপুরের গর্বের ধন ছিল, আবেগের জায়গা ছিল। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী এই বন্ধ কারখানাটি চালু করা হবে। 

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা মির্জাপুরে ‘টাঙ্গাইল কটন মিল’ কারখানাটি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মির্জাপুরে বেশকিছু ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেসব প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় এমপির সহযোগিতায় আরও আধুনিকায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, একজন চাইনিজ ব্যবসায়ী শুক্রবার এ বন্ধ কারখানাটি পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশের কয়েকটি স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের লোকজনও এই প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেছেন। 

বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করেছে। বিশেষ করে সোলারের বিষয়ে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের ব্যবসায়ীরা এবং শিল্পপতিরা ইন্ডাস্ট্রিগুলো ঠিকমতো চালাতে পারেন তার ব্যবস্থা করেছে সরকার। 

তিনি আরও বলেন, ২০ বছর পরে বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। বিগত সরকার মিথ্যা ও ভুল তথ্যের উপর বিদ্যুতের যে অর্জনের কথা বলেছে, কিন্তু আমরা ক্ষমতায় এসে দেখলাম এখানে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এই জায়গা থেকে একটি জায়গায় যেতে সময় লাগবে। দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান তিনি।  

বিটিএমসির সচিব ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন জানান, স্বাধীনতার আগে প্রায় ২৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইল কটন মিল কারখানাটি চালু করা হয়। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে কারখানাটি জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিটিএমসি দ্বারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এরপর থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ভাড়াসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে কারখানাটি চালু থাকে। ১৯৯৮ সাল থেকে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

এ সময় টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ, টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আরিফ, সহ-সভাপতি আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের শিকদার, উপজেলা বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন, গোড়াই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .