সংঘর্ষের ৩ দিন পর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে জবি উপাচার্য
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১১ পিএম
রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীদের প্লাকার্ড প্রদর্শনী কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনার তিন দিন পর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে গেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) তিনি রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
উপাচার্য বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তাদের চিকিৎসায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং পরিবহণ প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের সময় বিভিন্ন দাবিতে প্লাকার্ড নিয়ে অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করতে চান কিছু শিক্ষার্থী। এ ঘটনাকে ঘিরে মিলনায়তনের বাইরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা আহত হন।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে।

