Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

কুমিল্লায় ইউপি চেয়ারম্যান চুরির মামলার আসামি

Icon

কুমিল্লা (উত্তর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

কুমিল্লায় ইউপি চেয়ারম্যান চুরির মামলার আসামি

ভাঙচুরকৃত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কার্যালয়। ছবি: যুগান্তর

বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কার্যালয় ভাঙচুর এবং চুরির মামলায় কুমিল্লার তিতাস উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম সরকার ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত দুই নেতাসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।   

বলরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম মুন্সি বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে এ মামলা করেন।  

এদিকে এই মামলাকে ঘিরে সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ বলছেন, মামলাটি মিথ্যা ও সাজানো। আবার কেউ বলছেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে যাতে তারা কোনো ভূমিকা রাখতে না পারে, এজন্য আগে থেকেই হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে দূরে রাখার অপকৌশল নিয়েছে স্থানীয় বিএনপি। 

মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে, অভিযুক্তরা সবাই আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সমর্থিত লোকজন। তাদের সঙ্গে দলীয় বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। যার ফলশ্রুতিতে (৫ জুলাই) রাতে বলরামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বলরামপুর  নয়াবাজারস্থ ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও  অঙ্গসংগঠনের কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় দুই লাখ টাকা ক্ষতিসাধন করে এবং এক লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

মামলার প্রধান আসামি সাবেক বিএনপি নেতা তোফায়েল আহমেদ তপন বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বলরামপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আমি যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারি, সেজন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে একটি সাজানো মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি এই মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং মামলাটি সঠিক তদন্ত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি জানাচ্ছি।  

দ্বিতীয় আসামি কলাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম সরকার বলেন, আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষানীত হয়ে এবং আগামী নির্বাচনে যাতে প্রার্থী হতে না পাড়ি সে কারণে আমাকে এই সাজানো মামলায় আসামি করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমার বাড়ি প্রায় চার কিলোমিটার দূরে এবং যে ওয়ার্ডে বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও চুরি হয়েছে, সেখাকার কেউ বাদী হয়নি। বাদী অন্য ওয়ার্ডের বাসিন্দা। এতেই প্রমাণ করে মামলাটি কতটুকু সত্য। 

তিতাস থানার ওসি মো. মমিরুল হক বলেন, ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা করেছেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম। মামলার তদন্তে যদি কেউ নিরপরাধ প্রমানিত হয়, তাহলে তাদেরকে অবশ্যই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম