Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

সর্দি-জ্বর নেই তবু থামছে না কাশি, ফুসফুসে বাসা বাঁধছে বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়া

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১১:৪৫ এএম

সর্দি-জ্বর নেই তবু থামছে না কাশি, ফুসফুসে বাসা বাঁধছে বিপজ্জনক ব্যাক্টেরিয়া

সর্দি-জ্বর নেই তবু থামছে না কাশি। সংগৃহীত ছবি

Advertisement

সর্দি কিংবা জ্বর হলে সেই সঙ্গে কাশি হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে— জ্বর নেই, ঠান্ডাও লাগেনি; তারপরও একনাগারে কাশি হয়েই যাচ্ছে। থামছেই না কাশি। আর কাশতে কাশতে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা কিছু ক্ষেত্রে কাশির সঙ্গে রক্তও বের হচ্ছে। 

টানা সপ্তাহ দুয়েকের বেশি শুকনো কাশি ও গলাব্যথা; ওষুধ খেয়েও কাজ হচ্ছে না। এসবই বর্ডেটেল্লা পার্টুসিস নামক ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণে ঘটছে বলেই দাবি গবেষকদের। পাঁচ বছরের নিচে শিশু— এমনকি প্রাপ্তবয়স্কদেরও ভোগাচ্ছে সেই ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ।

কাশি কেন হচ্ছে? নিউমোনিয়ার সংক্রমণ ঘটলে তা থেকে এমন ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে। আবার দূষণ, ধুলাবালি থেকেও হতে পারে। অ্যালার্জির ধাত যাদের বেশি, তাদের শ্বাসনালিতে পার্টুসিস ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ খুব দ্রুত ঘটে। সে ক্ষেত্রে জ্বর বা সর্দি না হলেও কাশি হতে পারে। একে বলে হুপিং কাশি, যা ইদানীং সময়ে অনেককেই ভোগাচ্ছে। সংক্রমণ এত দ্রুত ঘটছে যে, সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

বর্ডেটেল্লা পার্টুসিস ব্যাক্টেরিয়া শ্বাসের সঙ্গে ঢুকলে সরাসরি শ্বাসনালিতে গিয়ে বাসা বাঁধে। সেখানেই বংশবৃদ্ধি করে সংখ্যায় বাড়ে এবং এক ধরনের বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে। সেটি ফুসফুসে গেলে সেখানকার কোষগুলোকে নষ্ট করতে থাকে। 

ফলে ফুসফুসে প্রদাহ হয় এবং শ্বাসকষ্ট হতে থাকে। কাশি একটানা চলতে থাকে, দমবন্ধ হয়ে আসার অনুভূতি হয়। এ ধরনের কাশি থেকে ঘন ঘন বমি হওয়া, কফের সঙ্গে রক্ত বেরিয়ে আসার লক্ষণও দেখা যায়। ঠিক তেমনি হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

দূষণের মাত্রা কমানো সম্ভব নয়। তাই দূষিত বাতাস থেকে ফুসফুস বাঁচাতে হলে মাস্ক পরতেই হবে। ঘরের ভেতরের বাতাস পরিশুদ্ধ রাখার চেষ্টা করতে হবে। এর জন্য এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। ঘরবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

অ্যালার্জির ধাত থাকলে শ্বাসের সঙ্গে যাতে ধুলাবালি, পোষ্যের লোম না ঢোকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শুকনো কাশি যদি এক সপ্তাহের বেশি থাকে, কাশির সঙ্গে গলা ও বুকে ব্যথা হয়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং রাতে ঘুমানোর সময়ে দমবন্ধ হয়ে আসে, তাহলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

শিশুদের ক্ষেত্রে সময়মতো পার্টুসিস বা ডিটিপি টিকা নেওয়া না থাকলে বা বুস্টার ডোজ না নিয়ে রাখলে সংক্রমণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। আর পাঁচ বছরের নিচে শিশুদের জন্য নিউমোকক্কাল প্রতিরোধী টিকা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। এতে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি কমে আসবে।

বড়দের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা বা ফ্লু টিকা সময়মতো নিয়ে রাখলে ভাল। বিশেষ করে নিউমোনিয়া আগে হলে বা ফুসফুসের রোগ থাকলে, হাঁপানি বা সিওপিডির রোগীদের ক্ষেত্রেও ফ্লু টিকা চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়ে রাখলে ভালো।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ওমেগা-৩ খেলেই কি বাড়বে স্মৃতিশক্তি?

ওমেগা-৩ খেলেই কি বাড়বে স্মৃতিশক্তি?

ভালোবাসার মানুষটি দূরে যাওয়ার ৫ ইঙ্গিত

ভালোবাসার মানুষটি দূরে যাওয়ার ৫ ইঙ্গিত

৩০ সেকেন্ডে মুড ভালো হতে পারে

৩০ সেকেন্ডে মুড ভালো হতে পারে

মেদ কমাতে যা খাবেন

মেদ কমাতে যা খাবেন

মাথাব্যথা কি চোখের সমস্যার কারণে? যে ৫ লক্ষণে বুঝবেন

মাথাব্যথা কি চোখের সমস্যার কারণে? যে ৫ লক্ষণে বুঝবেন

আইভিএফের সময় যে ৪ বিষয়ে নজর দেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞের

আইভিএফের সময় যে ৪ বিষয়ে নজর দেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞের

আরও পড়ুন

বেকিং সোডার কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন যেভাবে

বেকিং সোডার কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন যেভাবে

ওমেগা-৩ খেলেই কি বাড়বে স্মৃতিশক্তি?

ওমেগা-৩ খেলেই কি বাড়বে স্মৃতিশক্তি?

পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসার ঝুঁকি বেশি, আক্রান্ত হয় যে কারণে

পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসার ঝুঁকি বেশি, আক্রান্ত হয় যে কারণে

ঘন ও প্রাণবন্ত চুল পেতে জীবনযাপনে কী কী পরিবর্তন আনবেন?

ঘন ও প্রাণবন্ত চুল পেতে জীবনযাপনে কী কী পরিবর্তন আনবেন?

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম