ফাইল ছবি।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় এখন চিয়া, তিসি বা তুলসীর বীজের পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে ইসবগুলও। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেই নয়, সঠিক নিয়মে খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
ইসবগুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ। এটি পাকস্থলীতে গিয়ে পানি শোষণ করে ফুলে ওঠে, ফলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি তৈরি হয়। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণও নিয়ন্ত্রণে থাকে। পাশাপাশি এটি হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং পরিপাকতন্ত্রে চর্বি শোষণের গতি ধীর করতে সহায়তা করে।
পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারের ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ থেকে ২ চা-চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। কেউ কেউ সকালে খালি পেটে পানি ও সামান্য লেবুর রসের সঙ্গে ইসবগুল খেয়ে থাকেন। তবে এটি গ্রহণের পর সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি, কারণ ইসবগুল শরীর থেকে অনেকটা পানি শোষণ করে।
এ ছাড়া নিয়মিত ইসবগুল খেলে রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটি গ্রহণ করা উচিত।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অতিরিক্ত ইসবগুল খেলে ডায়রিয়া, ক্ষুধামান্দ্য বা পেটের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। এছাড়া এটি কিছু ওষুধের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ওষুধ সেবনের অন্তত দুই ঘণ্টা আগে বা পরে ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সঠিক নিয়মে এবং পরিমিত মাত্রায় ইসবগুল গ্রহণ করলে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে একটি কার্যকর প্রাকৃতিক সহায়ক হতে পারে।
