Logo
Logo
×
   

লাইফ স্টাইল

কোমর ও পেটের অতিরিক্ত মেদ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: নতুন গবেষণা

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ এএম

কোমর ও পেটের অতিরিক্ত মেদ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: নতুন গবেষণা

প্রতীকী ছবি।

শরীরের ওজন বা বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই)-এর তুলনায় কোমরের মাপ এবং মেদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে হৃদরোগের ঝুঁকি সংক্রান্ত আরও সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছে নতুন একটি গবেষণা। 

‘জার্নাল অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজি’-তে প্রকাশিত এই গবেষণায় গবেষকরা দীর্ঘ ২০ বছর ধরে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষের চিকিৎসা সংক্রান্ত ডেটা পর্যালোচনা করেন। এতে দেখা যায়, সাধারণ বিএমআই স্কেলে যাদের ওজন ‘স্বাভাবিক’ বা ‘অতিরিক্ত’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, তাদের অনেকের পেটেই মারাত্মক মাত্রায় মেদ জমতে দেখা গেছে।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যাদের কোমরের মাপ বড় কিংবা ‘কোমর ও নিতম্বের অনুপাত’ (ওয়েস্ট-টু-হিপ রেশিও) বেশি, তাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া এবং অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি সাধারণের তুলনায় ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি। 

কেন বিএমআই সবসময় নির্ভুল নয়?

বিশেষজ্ঞরা জানান, বিএমআই শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির উচ্চতার সাপেক্ষে ওজনের হিসাব দেয়, কিন্তু শরীরের ঠিক কোথায় মেদ জমছে তা প্রকাশ করে না। 

পেটের ভেতরের দিকে বা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চারপাশে জমা হওয়া ভিসেরাল ফ্যাট অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি শরীরে প্রদাহ, ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং রক্তনালীর ক্ষতি করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রাখে। ফলে বিএমআই স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও পেটে মেদ থাকলে হৃদরোগের বড় ধরনের ঝুঁকি থেকে যায়। 

গবেষণায় তলপেটের মেদের সঙ্গে বেশ কিছু গুরুতর শারীরিক সমস্যার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক পাওয়া গেছে:

  • হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক
  • হার্ট ফেইলিউর
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন (অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন)
  • হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যু

গবেষণার সীমাবদ্ধতা

গবেষকরা জানান, বিশাল এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের শারীরিক পরিশ্রম, খাদ্যাভ্যাস কিংবা স্থূলতা সংক্রান্ত বংশগত বৈশিষ্ট্যের সম্পূর্ণ তথ্য হাতের কাছে ছিল না। এ ছাড়া, অংশগ্রহণকারীদের কোমরের মাপ পুরো সময়ে মাত্র একবারই নেওয়া হয়েছিল। ফলে সময়ের সাথে সাথে পেটের মেদের পরিবর্তনের ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিতে কী প্রভাব পড়ে, তা পুরোপুরি নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। 

সূত্র: সামা টিভি 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম