Logo
Logo
×
   

জাতীয়

ব্যারিস্টার খোকন ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর যে কথায় সংসদে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম

ব্যারিস্টার খোকন ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর যে কথায় সংসদে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়

ব্যারিস্টার খোকন ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর যে কথায় সংসদে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিন কার্যপ্রনালী বিধির ৭১ ধারায় নোটিশ উত্থাপন এবং মন্ত্রীর জবাবে এক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (১০ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, নাটোরে আমার শ্বশুরবাড়ি, এখানে তো গ্যাস দিতেই হবে। যখন গ্যাস পাবো তখন গ্যাস দেব।

মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হাস্যরসের ছলে সরকার দলীয় হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে বলেন, আপনি মন্ত্রীকে একটা সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন করতে পারেন। 

সরকার দলীয় হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, যেহেতু উনি আমার দুলাভাই, উনি নাটোরে বিয়ে করেছেন এবং নাটোরে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কবে নাগাত নাটোরে গ্যাসের সংযোগ দিবেন এটাই তার কাছে আমি প্রশ্ন করছি।

জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, এটা ত শ্বশুরবাড়ির আবদার হয়ে গেল। আমি তো বলেছি যে আমরা কেবল কুপ খনন করা শুরু করেছি। আমরা বিড কিনছি। আমরা টেন্ডার আহ্বান করেছি যাতে বাংলাদেশে ইন্টেন্সিভ এক্সপ্লোরেশন করা হয় এবং গ্যাস আবিষ্কার করা হয়। গ্যাস আবিষ্কার হলে আমি আশা করি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই নাটোরে গ্যাস যাবে এবং উদ্বোধন করা হবে।

এরপর সংসদে হাস্যরসের ছলে মন্ত্রীর বিয়ের প্রসঙ্গটি সংসদে উপস্থাপন করেন নোয়াখালীর স্থানীয় সংসদ সদস্য। ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানীমন্ত্রী বলেছেন ওনার শ্বশুরবাড়ি নাটোরে। এই জন্য গ্যাস সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নাটোরকে অগ্রাধিকার দেবেন। ওনাকে (মন্ত্রী) একটা অনুরোধ করবো, উনি নোয়াখালীতেও একটা বিয়ে করুক। তাহলে আমরা গ্যাস পাব।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ওনাকে (মন্ত্রী টুকু) মাইক দেন। মন্ত্রী আপনি কি বিয়ে করতে চান? 

এরপরে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমার সামনে ওনারা (জামায়াতের সংসদ সদস্যরা) বসে আছেন। উনারা শরিয়াহ আইন ভালো বোঝেন। আমার বিয়ে করার এখনো তিনটা বাকি আছে, কিন্তু বিয়ে করার আর শখ নাই। আর বেশি বিয়ে করার ইচ্ছা নাই, যেটা করছি এটাই যথেষ্ট, ধন্যবাদ।

মন্ত্রীর এ জবাবে পুরো সংসদেই এক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম