Logo
Logo
×

Advertisement

জাতীয়

সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণে টাকা আত্মসাতের সত্যতা পেয়েছে দুদক

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণে টাকা আত্মসাতের সত্যতা পেয়েছে দুদক

Advertisement

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে প্রায় ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ইসমাঈল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থল ও গণপূর্ত অধিদপ্তরে অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়ম শনাক্ত করে।

দুদক জানায়, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর অধীনে প্রকল্পটির কাজে টেন্ডার কারসাজি, প্যাকেজ বিভাজনে অনিয়ম এবং কাজ না করেই বিল তুলে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এনডিইএল) আটটি সাব-ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজটি করায়।

তদন্তে দেখা যায়, অন্তত চারটি প্যাকেজে কাজের কোনো ভৌত অস্তিত্ব, চুক্তিপত্র বা পরিমাপ বই নেই। অর্থাৎ, কোনো কাজ না করেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রধানত দায়ী করা হয়েছে।

দুদক জানায়, ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জন্য রেকর্ড ভবন নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের মূলধন অংশের ‘অনাবাসিক ভবন’ খাতে সিসিজিপি অনুমোদিত একমাত্র ডব্লিউ-১ প্যাকেজের কার্যাদেশ ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে (এনডিইএল) দেওয়া হয়। এর মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৫৭ কোটি ৪ লাখ টাকা।

তবে ডিপিপি, আরডিপিপি কিংবা হোপের অনুমোদন ছাড়াই ২০২৩-২৪ অর্থবছরে একই খাতে আরও আটটি প্যাকেজ সৃষ্টি করা হয়। পরে ই-জিপির মাধ্যমে এসব প্যাকেজের কার্যাদেশ বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়। এসব প্যাকেজের বিপরীতে মোট ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

এনফোর্সমেন্ট টিমের সরেজমিন তদন্তে আটটি প্যাকেজের মধ্যে ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর কাজের কোনো ভৌত অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এমনকি এসব কাজের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিপত্র কিংবা পরিমাপ বইও পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর প্যাকেজের কাজের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও এসব কাজ মূলত এনডিইএল কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে বলে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল ডব্লিউ-১ প্যাকেজের কাজ বিধিবহির্ভূতভাবে আটটি প্যাকেজে বিভাজন করে ই-জিপির মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। অধিকাংশ কাজের বাস্তব অস্তিত্ব না থাকা সত্ত্বেও বিল পরিশোধের মাধ্যমে সরকারি অর্থের ক্ষতিসাধন ও আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ ঘটনায় তৎকালীন ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামানকে মূলত দায়ী করা হয়েছে বলে এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তার বক্তব্য বা ব্যাখ্যা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

সিটি ব্যাংকের সাবেক পরিচালকের পরিবারসহ বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

সিটি ব্যাংকের সাবেক পরিচালকের পরিবারসহ বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

স্ত্রীসহ সাবেক এমপি ছলিম উদ্দিনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

স্ত্রীসহ সাবেক এমপি ছলিম উদ্দিনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

মশক নিধনে অনিয়মের অভিযোগ: ডিএনসিসিতে দুদকের দুদকের অভিযান

মশক নিধনে অনিয়মের অভিযোগ: ডিএনসিসিতে দুদকের দুদকের অভিযান

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, দুদকের অভিযান

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, দুদকের অভিযান

সাবেক এমপি বদি-মনিরুল পরিবারের ৭ জনের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ

সাবেক এমপি বদি-মনিরুল পরিবারের ৭ জনের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ

যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন

যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন

আরও পড়ুন

যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে আজ

যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে আজ

ভারতের হাসপাতালে বাংলাদেশির লাশ ৮ দিন আটকে রাখার অভিযোগ

ভারতের হাসপাতালে বাংলাদেশির লাশ ৮ দিন আটকে রাখার অভিযোগ

সেনাপ্রধানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের সাক্ষাৎ

সেনাপ্রধানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিল্পকলায় অনিয়ম-অভিযোগ নিয়ে নাট্যকর্মীদের ক্ষোভ

শিল্পকলায় অনিয়ম-অভিযোগ নিয়ে নাট্যকর্মীদের ক্ষোভ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম